মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:২৪ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
সুগন্ধি দীর্ঘদিন ভালো রাখার সহজ উপায় বসতঘরে একযোগে ৩০টি ককটেল বিস্ফোরণ, পরিবারের সদস্যরা পলাতক দুস্থদের অনুদানের তালিকায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীসহ বিত্তবান নেতাদের নাম, এমপি বলছেন তাঁরা পাওয়ার যোগ্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে অফিসার পদে চাকরি নিখোঁজ শিশুকে খুঁজছিল সবাই, ফুফুর কক্ষের বাক্সে পাওয়া গেল মরদেহ ৬ দিনে ২০০ কিলোমিটার সাঁতরে নিজের চেনা ঠিকানায় ‘নানা’ বাংলাদেশসহ ২০ দেশ–অঞ্চলের বিশেষায়িত ওষুধ শুল্কমুক্ত করল যুক্তরাষ্ট্র ‘সে জেলেই মরবে’, ধর্ষণের শিকার ১০ বছরের শিশুকে বিচারকের চিঠি আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টে ৯ থেকে ২০ গ্রেডে চাকরি, পদ ২২ রাশিয়ায় আতশবাজি কারখানায় আগুনে মৃত্যু ১৪

‘সে জেলেই মরবে’, ধর্ষণের শিকার ১০ বছরের শিশুকে বিচারকের চিঠি

Reporter Name

ভারতের রোহিণীতে শিশু ধর্ষণের এক চাঞ্চল্যকর মামলায় বিচারক রায় ঘোষণার পর ভুক্তভোগী শিশুকে একটি সান্ত্বনার চিঠি লিখেছেন। কয়েক বছর আগে যখন শিশুটির বয়স মাত্র সাত বছর ছিল, তখন পরিচিত এক ব্যক্তি তাকে নিপীড়ন করেছিলেন। বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘ তিন বছর পেরিয়ে যাওয়ার পর বর্তমানে ১০ বছর বয়সে উপনীত হওয়া শিশুটিকে এই বিশেষ চিঠি দেওয়া হয়। আদালতের এই অনন্য উদ্যোগে প্রথাগত আইনি কাঠামোর বাইরে গিয়ে বিচারক সরাসরি শিশুটির সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন এবং তার বিচার পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অতিরিক্ত দায়রা বিচারক রজনী রাঙ্গা রায়ের পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেন, আদালতে শুনানির সময় শিশুটি অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে তার ওপর চলা নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছিল। সে আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছিল যেন অপরাধী ব্যক্তিটি বৃদ্ধ হওয়া পর্যন্ত কারাগারেই থাকে। বিচারক তার চিঠিতে শিশুটিকে আশ্বস্ত করে জানান যে তার সেই আরজি অক্ষরে অক্ষরে রাখা হয়েছে। আদালত ওই অপরাধীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন, যার ফলে সে আর কখনো মুক্ত বাতাসে ঘুরে বেড়াতে পারবে না এবং কারাগারেই তার জীবনাবসান ঘটবে।

বিচারক তার চিঠিতে শিশুটিকে অসীম সাহসী এক কিশোরী হিসেবে অভিহিত করে বলেন, সে চুপ না থেকে নিজের মায়ের কাছে সত্য প্রকাশ করেছিল বলেই আজ অন্য শিশুরা সুরক্ষিত রয়েছে। আদালত তার শৈশব ফিরিয়ে দিতে না পারলেও অপরাধীকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে পেরেছে। এই বার্তা পাওয়ার পর শিশুটিকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিচারক বলেছেন, সে যেন স্কুলে যায়, নতুন বন্ধু তৈরি করে এবং হাসিখুশিভাবে তার ভবিষ্যৎ গড়ে তোলে।

দিল্লি হাইকোর্ট সংশ্লিষ্ট জেলা আইনি সেবা কর্তৃপক্ষকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ক্ষতিপূরণের অর্থসহ বিচারকের এই চিঠি শিশুটির পরিবারের হাতে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। পকসো আইনের আওতায় পরিচালিত এই মামলায় অভিযুক্ত সুমিত শাক্যকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। উচ্চ আদালতের বিচারপতিরা বিচারিক আদালতের এই উদ্যোগকে ভূয়সী প্রশংসা করে একে সাহসের এক অনন্য বার্তা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page