মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৭ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
২০০ বছরের ইতিহাসে প্রথম নারী বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে যাচ্ছে মার্কিন অঙ্গরাজ্য টেনেসি নিজের মৃত্যুর ভুয়া খবর নিয়ে পাকিস্তানি ক্রিকেটারের মজা দুই বড় জাহাজের সংঘর্ষে মাঝখানে পড়ে যায় লাইটার, শ্রমিকের চিৎকার—‘আল্লাহরে, ইন্না লিল্লাহ’ গাজা অভিযানের সময় ইসরাইলকে অস্ত্রের যন্ত্রাংশ দিয়েছিল ভারত দিল্লির একজন পুরুষের দেহে গর্ভাশয় কীভাবে? সারা দুনিয়ায় ২০২৬, কিন্তু ইথিওপিয়াতে কেন ২০১৯ সাল এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কিনছে সরকার, চুক্তি অক্টোবরে: বিমানমন্ত্রী যে সমীকরণে সেমিফাইনালে উঠল বাংলাদেশ মিয়ানমারের শরণার্থীদের ফেরত পাঠানো শুরু করেছে মালয়েশিয়া একযোগে ৬৮ এসিল্যান্ডকে প্রত্যাহার

মিয়ানমারের শরণার্থীদের ফেরত পাঠানো শুরু করেছে মালয়েশিয়া

Reporter Name

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়া তাদের ভূখণ্ডে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের শরণার্থীদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করেছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংঘাতের কারণে প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ মালয়েশিয়ায় গিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করেছিলেন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন নীতি ও স্থানীয় আইন পর্যালোচনার পর কুয়ালালামপুর কর্তৃপক্ষ এই কঠোর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে শুরু করেছে বলে জানা গেছে। তবে এই পদক্ষেপে শরণার্থীদের নিরাপত্তা ও মৌলিক মানবাধিকার নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট মানবাধিকারকর্মীরা।

জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে মালয়েশিয়ায় প্রায় ১ লাখ ৯৩ হাজার মিয়ানমারের নাগরিক শরণার্থী হিসেবে রেজিস্টার্ড রয়েছেন। এই বিশাল জনগোষ্ঠীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই মূলত মিয়ানমার থেকে নির্যাতিত হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্ত। এছাড়া বাকি অংশটি দেশটির বিভিন্ন জাতিগত সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর মানুষ, যারা মিয়ানমারের বর্তমান সামরিক জান্তার দমনপীড়নের শিকার হয়ে দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছিলেন।

শরণার্থীদের এই বড় অংশটি দীর্ঘদিন ধরে মালয়েশিয়ার সমাজে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে বসবাস করে আসছিলেন। স্থানীয় সরকার ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বৈধ কাগজপত্রের অভাব এবং অবৈধ অভিবাসন ঠেকানোর সরকারি প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেই এই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যদিও এর আগে মালয়েশিয়া সরকার মানবিক কারণে এই শরণার্থীদের সাময়িক আশ্রয়ের সুযোগ দিয়েছিল, তবে বর্তমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির কারণে তাদের আর দীর্ঘমেয়াদে দেশে রাখা সম্ভব হচ্ছে না বলে দেশটির নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন।

এদিকে, জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা মালয়েশিয়ার এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে। তাদের মতে, মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতি শরণার্থীদের স্বেচ্ছায় ও নিরাপদে ফিরে যাওয়ার জন্য এখনও সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত এবং সেখানে তাদের জীবন ও স্বাধীনতার বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে শরণার্থীদের জোরপূর্বক ফেরত না পাঠিয়ে তাদের সুরক্ষার জন্য মালয়েশিয়া সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক মহল থেকে নতুন করে আহ্বান জানানো হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page