মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
২৩ বছর পর শেষ মার্কিন সেনাটিও ইরাক ছাড়ছে, ৪ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা নেতানিয়াহুর আবুধাবি সফর ও প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের খবর নিশ্চিত করল আমিরাত নদীর স্রোতের ওপর টানানো সরু দড়ি বেয়ে হেঁটে ১০০ মিটার পাড়ি দিলেন শি পত্রিকা:‌ ”অপারেশন ক্লিন হার্টের’ আদলে অভিযানের চিন্তা’ মাঠে না নেমেই সেমিফাইনালে বাংলাদেশ এআই প্রযুক্তির নিরাপত্তায় গুগল, ওপেনএআই ও অ্যানথ্রপিকের উদ্যোগ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ও রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার নেপথ্যের ব্যক্তিরা এখনো ধরা পড়েননি জাপানে বর্মযুক্ত ডাইনোসরের জীবাশ্ম শনাক্ত প্রচলিত যুদ্ধের নিয়মে খেলছে না হুতিরা দাঁত মাজলে কি জীবাণু মরে

জাপানে বর্মযুক্ত ডাইনোসরের জীবাশ্ম শনাক্ত

Reporter Name

জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপে প্রায় তিন দশক আগে উদ্ধার হওয়া একটি জীবাশ্ম নতুন করে বিশ্লেষণ করে নতুন প্রজাতির ডাইনোসর আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছেন গবেষকেরা। আন্তর্জাতিক গবেষণা সাময়িকী ক্রিটেশাস রিসার্চে প্রকাশিত এই গবেষণায় প্রাচীন প্রাণীটিকে বর্মযুক্ত ডাইনোসর হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। প্রায় ৯ কোটি ৩০ লাখ থেকে ১০ কোটি বছর পুরোনো এই ডাইনোসরটির নাম রাখা হয়েছে নিপ্পনোপেল্টা ইজোয়েন্সিস। মূলত জাপানি ও গ্রিক শব্দের সংমিশ্রণে এর নামকরণ করা হয়েছে, যেখানে নিপ্পন অর্থ জাপান, পেল্টা অর্থ ঢাল এবং ইজো হলো হোক্কাইডো দ্বীপের প্রাচীন নাম।

বিজ্ঞানীরা আধুনিক সিটি স্ক্যান প্রযুক্তি ব্যবহার করে ১৯৯৫ সালে সামুদ্রিক পলিমাটি থেকে উদ্ধার করা এই জীবাশ্মটির বিস্তারিত গঠন বিশ্লেষণ করেন। গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, ডাইনোসরটি হাড়ের তৈরি শক্ত প্লেট বা বর্ম দিয়ে আবৃত নোডাসরিড পরিবারের অন্তর্ভুক্ত ছিল। সাধারণত চার পায়ে হাঁটা এই তৃণভোজী প্রাণীগুলো প্রাচীনকালে উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাস করত। উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপে এই প্রজাতির ডাইনোসরের প্রাচুর্য দেখা গেলেও এশিয়ান অঞ্চলে নোডাসরিডের উপস্থিতি অত্যন্ত বিরল।

গবেষকদের ধারণা, প্রায় ১০ থেকে ১১ কোটি বছর আগের কোনো এক সময়ে এই ডাইনোসরগুলোর পূর্বপুরুষেরা বর্তমান আলাস্কা ও রাশিয়ার মধ্যবর্তী বেরিং ল্যান্ড ব্রিজ পাড়ি দিয়ে উত্তর আমেরিকা থেকে এশিয়ায় প্রবেশ করেছিল। মৃত্যুর পর নদীপ্রবাহের তীব্র টানে প্রাণীটির দেহ সমুদ্রের তলদেশের পলিমাটিতে ঢাকা পড়ে যায়, যার ফলে দীর্ঘসময় ধরে জীবাশ্মটি অক্ষত অবস্থায় সংরক্ষিত ছিল। এশিয়ায় এই পরিবারের ডাইনোসরের জীবাশ্ম কম পাওয়ার পেছনে জীবাশ্ম সংরক্ষণের সীমাবদ্ধতাকেও বড় কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বিজ্ঞানীরা আশা প্রকাশ করেছেন যে ভবিষ্যতে এই অঞ্চলে আরও ব্যাপক খননকাজ চালানো হলে প্রাচীন এই প্রাণীদের আন্তমহাদেশীয় স্থানান্তর ও জীবনযাত্রা সম্পর্কে আরও নতুন ও রোমাঞ্চকর তথ্য জানা যাবে। এই আবিষ্কার এশীয় অঞ্চলে প্রাগৈতিহাসিক প্রাণীর ইতিহাস এবং তাদের ভৌগোলিক বিস্তার সম্পর্কে গবেষণার পরিধিকে আরও প্রসারিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট গবেষকেরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page