সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৫৪ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
অনলাইন বিনিয়োগের ফাঁদে ৩৪ লাখ টাকা, অর্থ গেছে কম্বোডিয়ায় আশ্রয়ের কথা বলে সন্তানদের সামনে মাকে ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার চীনের নদীতে ৬০০ মিটারের ‘গোল্ডেন ড্রাগন’ গাজীপুরে মধ্যরাতে গাড়ি চাপায় মা ও শিশুকন্যা নিহত পুকুরে ফেলে দেওয়া ডিম থেকে মোরগ, এক বছর পর জন্মদিন উদ্‌যাপন হরমুজে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ইরানি হামলায় আহত হন ৮ মার্কিন মেরিন সেনা অপহরণের চার ঘণ্টা পর মহাসড়কে মিলল ছাত্রদল নেতার লাশ হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন আন্ডারওয়াটার ড্রোন জব্দের দাবি ইরানের শৌচাগারে যাওয়ার কথা বলে ‘পিচ্চি রাজা’র পলায়ন, ৫ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত প্রিজনভ্যান থেকে ‘পিচ্চি রাজার’ পলায়ন: ৫ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন আন্ডারওয়াটার ড্রোন জব্দের দাবি ইরানের

Reporter Name

মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি সাবসোর্সেস বা পানির নিচে চলাচলকারী ড্রোন আটকের দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। সম্প্রতি চালানো একটি জটিল ও সুনির্দিষ্ট অভিযאןের মাধ্যমে এই মনুষ্যবিহীন জলযানটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় ইরানি বাহিনী। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে নতুন করে সামরিক ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ চড়তে শুরু করেছে।

ইরানি সংবাদমাধ্যম ও সামরিক সূত্রগুলোর দাবি অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক জলসীমায় নিরাপত্তা রক্ষা এবং অবৈধ নজরদারি রোধে নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। আইআরজিসি জানায়, মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্যবহৃত এই জলযানটি সংবেদনশীল অঞ্চলে গোপনে তথ্য সংগ্রহ করছিল। পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ড্রোনটির গতিবিধি রোধ করে সেটিকে নিজেদের হেফাজতে নেয় ইরানি সামরিক কর্মীরা।

হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত তেলবাহী জলপথ হওয়ায় এই অঞ্চলে হরহামেশাই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার কৌশলগত দ্বন্দ্ব সামনে আসে। এর আগেও বিভিন্ন সময় মার্কিন ড্রোন বা নৌযানের সঙ্গে ইরানি বাহিনীর মুখোমুখি অবস্থানের ঘটনা ঘটেছে। তবে এবারের এই আন্ডারওয়াটার ড্রোন জব্দের ঘটনা দুই দেশের মধ্যকার চলমান শীতল সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।

এ বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো না হলেও ঘটনাটি নিয়ে ওয়াশিংটনে উচ্চপর্যায়ে পর্যালোচনা চলছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর উপস্থিতি এবং ইরানের কঠোর অবস্থানের কারণে এই জলপথের নিরাপত্তা নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page