সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
ভারতে ‘জয় শ্রী রাম’ না বলায় মুসলিম কিশোরকে হামলা, বাড়ি-মসজিদে পাথর নিক্ষেপ ‘শেমলেস’–এ নগ্ন দৃশ্যে অভিনয়ের প্রভাব পড়েছিল এই অভিনেত্রীর ব্যক্তিজীবনেও প্রিজনভ্যান থেকে পালিয়েছেন মোহাম্মদপুরের ‘পিচ্চি রাজা’ কাশিমপুর কারাগারে নেওয়ার পথে শৌচাগারের কথা বলে পালালেন পিচ্চি রাজা শেষ ম্যাচে বিশাল জয়ে সিরিজ নিজেদের করে নিল ইংল্যান্ড ইরানের সাত দিনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, উল্টো চাপে পড়তে পারেন ট্রাম্প সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যক্ষসহ ১৪ শিক্ষক অবরুদ্ধ সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, অধ্যক্ষসহ ১৪ শিক্ষক অবরুদ্ধ যুক্তরাজ্যে মার্কিন বিমানঘাঁটির কাছ থেকে গ্রেপ্তার ৫, সরিয়ে নেওয়া হয়েছে ৮৫ বাড়ির লোকজনকে কূটনীতিতেও আগ্রহী, তবে যুক্তরাষ্ট্র হামলা করলে জবাব দিতেও প্রস্তুত ইরান

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, অধ্যক্ষসহ ১৪ শিক্ষক অবরুদ্ধ

Reporter Name

সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে তীব্র অসন্তোষ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে, যার মূল কারণ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্তি পাওয়ার দাবি। শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে এই অবাস্তব ও প্রশাসনিক জটিলতা সৃষ্টিকারী কাঠামোর পরিবর্তন চেয়ে আসছিলেন এবং এরি ধারাবাহিকতায় তারা আন্দোলনে নেমেছেন। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা কলেজ ক্যাম্পাসে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করে তোলেন এবং তাদের দাবি আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা পালন করেন।

বিক্ষোভের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা কলেজের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং এর ফলে অধ্যক্ষসহ মোট চৌদ্দজন শিক্ষক অবরুদ্ধ অবস্থায় আটকা পড়েন। শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের এই অবরুদ্ধ দশার কারণে পুরো ক্যাম্পাসে চরম উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে পঙ্গু হয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন যে তাদের দাবি না মানা পর্যন্ত এই ধরনের কঠোর কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রধান বক্তব্য হলো, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে থাকার কারণে তাদের একাডেমিক ও পেশাগত উন্নয়নে নানা ধরনের জটিলতা তৈরি হচ্ছে যা তাদের ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য হুমকিস্বরূপ। তারা এই অধীনতা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হয়ে একটি স্বতন্ত্র বা উপযুক্ত কাঠামোর অধীনে উচ্চশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জোর দাবি জানান। তাদের এই যৌক্তিক দাবি দীর্ঘদিন ধরে উপেক্ষিত হওয়ার কারণেই তারা আজকের এই কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান।

অন্যদিকে, অবরুদ্ধ শিক্ষকরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের অনমনীয় মনোভাবের কারণে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সমাধান আসেনি। উদ্ভূত এই সংকটময় পরিস্থিতি নিরসনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আলোচনা চালুর চেষ্টা চলছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সমাধানের জন্য তৎপর রয়েছে বলে জানা গেছে। ক্যাম্পাস জুড়ে অতিরিক্ত সতর্কতাও লক্ষ্য করা গেছে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো সম্ভব হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page