বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
এফবিআইয়ের গোয়েন্দাদের হাজার হাজার সংবেদনশীল তথ্য চুরির দাবি ওয়াশিংটন-তেহরানের মধ্যে সংঘাত বন্ধ করা নিয়ে নতুন আশাবাদ বিশ্বকাপের পর অবসরের কথা ভাবলেও কেন মত বদলালেন রোনালদো ৮৮৮ স্কুলের নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত পাঠদান ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় সমর্থন না দিতে কালাসকে সতর্ক করলেন আরাগচি সিলেট সীমান্তে বিএসএফের গুলি, বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ প্রথমবার যৌন দৃশ্য, অনেক ভেবেই রাজি হন এই তারকা স্বামী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, বিজেএস পাস করে একই পথে স্ত্রী এবার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হলেন সাইবার বুলিংয়ের শিকার সিলেটের সেই বিউটি রানী পাল পা দিয়ে আঘাত করতেই ভেঙে যাচ্ছে সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব, ২ প্রকৌশলীর কৈফিয়ত তলব

এবার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হলেন সাইবার বুলিংয়ের শিকার সিলেটের সেই বিউটি রানী পাল

Reporter Name

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র হয়রানি ও অপপ্রচারের শিকার হওয়া সিলেটের এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা এবার অনন্য এক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। জীবনের নানা প্রতিকূলতা ও ডিজিটাল সহিংসতার বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়ে তিনি শিক্ষকতায় অসাধারণ অবদানের স্বাক্ষর রেখেছেন। সম্প্রতি শিক্ষা ক্ষেত্রে তার এই ব্যতিক্রমী সাফল্য ও অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এই অর্জনের মধ্য দিয়ে তিনি কেবল নিজের জেলারই নয়, বরং পুরো দেশের শিক্ষক সমাজের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

কয়েক মাস আগে এই শিক্ষিকাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালায় এবং তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সাইবার বুলিং করা হয়। সেই সময় এই ধরনের মানহানিকর ঘটনায় তিনি মানসিকভাবে বেশ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন এবং বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছিল। তবে সকল নেতিবাচক পরিস্থিতি ও সামাজিক চাপকে শক্তিতে রূপান্তর করে তিনি নিজের পেশাগত দায়িত্বের প্রতি অবিচল থাকেন। শিক্ষার্থীরা যাতে কোনোভাবেই তার মানসিক অবসাদের প্রভাবের শিকার না হয়, সেদিকে তিনি সবসময় সজাগ দৃষ্টি রেখেছেন।

বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রমে তার উদ্ভাবনী পদ্ধতি এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা শুরু থেকেই প্রশংসিত হয়ে আসছে। ক্লাসরুমের পরিবেশ আনন্দদায়ক রাখতে এবং শিশুদের ঝরে পড়া রোধে তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। তার এই নিরলস পরিশ্রম ও শিশুদের ভবিষ্যৎ গড় তোলার ক্ষেত্রে আন্তরিকতার মূল্যায়ন করেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাকে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই শেষে শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের মর্যাদায় ভূষিত করে। এই পুরস্কার প্রাপ্তির পর তার সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে উষ্ণ অভিনন্দন জানান এবং তার দীর্ঘ ও সফল পেশাজীবন কামনা করেন।

পুরস্কার পাওয়ার পর অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে এই শিক্ষিকা জানান, সাইবার বুলিংয়ের মতো নোংরা মানসিকতার আক্রমণ তাকে সাময়িকভাবে থামিয়ে দিতে চাইলেও তা তার মনোবল ভাঙতে পারেনি। বরং শিক্ষকতার পবিত্র পেশা এবং শিক্ষার্থীদের ভালোবাসাই তাকে কঠিন সময়গুলো পার করতে সবচেয়ে বড় সাহস জুগিয়েছে। তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, এ ধরনের সাইবার অপরাধ ও বুলিংয়ের শিকার হয়ে কেউ যেন কখনো নিজের লক্ষ্য থেকে সরে না দাঁড়ায়। এই স্বীকৃতি তার দায়িত্ববোধ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে এবং ভবিষ্যতে শিশুদের কল্যাণে নিজেকে আরও বেশি নিবেদিত করার নতুন অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page