রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৪ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

আ.লীগ নেতার বাড়িতে ভূরিভোজ, সেনবাগ থানার ওসি প্রত্যাহার

Reporter Name

নোয়াখালীর সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুর রহিম সরকারকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। সম্প্রতি কাবিলপুর ইউনিয়নে একটি নিষিদ্ধ সংগঠনের ঝটিকা মিছিল এবং স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার বাড়িতে আয়োজিত ভূরিভোজের অনুষ্ঠানে ওসির যোগদানের বিষয়টি নিয়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এই ঘটনার পর প্রশাসনিক দায়িত্বে অবহেলা ও শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ ওঠে, যার প্রেক্ষিতে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কিছুদিন ধরে নোয়াখালীর বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক নানা তৎপরতা ও উত্তেজনা চলছে। এমন একটি সময়ে সেনবাগ উপজেলার কাবিলপুর এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো সংগঠনের ব্যানারে মিছিল বের হয়, যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দেয়। এর পরেই স্থানীয় একজন বিতর্কিত আওয়ামী নেতার বাড়িতে ওসির ভূরিভোজে অংশ নেওয়ার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে, যা নিয়ে সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

দায়িত্বরত একজন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে ওসির এ ধরনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের উচ্চপর্যায় থেকেও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর বিভাগীয় তদন্তের অংশ হিসেবে তাকে সেনবাগ থানা থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। পরবর্তীতে তাকে নোয়াখালী জেলা পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয় এবং তার স্থলাভিষিক্ত কে হবেন সে বিষয়েও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সাম্প্রতিক এই ঘটনাটি স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের নিরপেক্ষ ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনার খোরাক জুগিয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর এবং জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে বারবার কড়া বার্তা দেওয়া সত্ত্বেও মাঠপর্যায়ের কিছু কর্মকর্তার এমন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। এই প্রত্যাহারের ফলে স্থানীয় পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর কঠোর নজরদারি বজায় থাকবে এবং ভবিষ্যতে পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব আরও নিশ্চিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page