রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
এলজিইডির কর্মকর্তাদের জনগণের সম্পদের সঠিক ব্যবহারের আহ্বান মঈন খানের বাকৃবিতে ১৭৯ শিক্ষার্থীর ইন্টার্নশিপ শুরু, বিদেশে যাচ্ছেন ৩৫ জন ‘শেখ হাসিনার পতন হয়েছে চাটুকার সাংবাদিক, হাইব্রীড আ. লীগ ও ব্যবসায়ীদের কারণে’ গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করেই সরকারকে ক্ষমতা ছাড়তে হবে: মামুনুল হক ১ অক্টোবর থেকে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন চলবে সৌর বিদ্যুতে সন্তানদের নিরাপত্তা চাই: ডা. শ‌ফিকুর ‎উন্নত প্রযুক্তির নামে গ্রাহকের পকেট কাটছে প্রিপেইড মিটার ‘বাজে স্বভাব’ নামেই আসছে রেহানের প্রথম একক গানের আসর মক্কা-মদিনার ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ বান্দরবানে ১১ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্য নিয়ে প্রদর্শনী

বান্দরবানে ১১ ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্য নিয়ে প্রদর্শনী

Reporter Name

পার্বত্য জেলা বান্দরবানে বসবাসরত বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের বর্ণিল জীবনধারা ও লোকসংস্কৃতি সাধারণ মানুষের সামনে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জেলার ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রায় বিলুপ্তির পথে থাকা ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং জীবনযাপনের নানা গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ নিয়ে সেখানে তিন দিনব্যাপী একটি সাংস্কৃতিক প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। স্থানীয় সংস্কৃতিপ্রেমী ও পর্যটকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগানো এই বিশেষ আয়োজনটি ঘিরে পুরো এলাকায় এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।

‘পোহ্-চগ্রু’ নামের এই বর্ণাঢ্য প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী জাতিগোষ্ঠীগুলোর নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প, নান্দনিক বয়নশৈলী এবং বৈচিত্র্যময় বাদ্যযন্ত্রের সমাহার ঘটেছে। পাশাপাশি, তাদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের প্রয়োজনীয় নানা উপকরণ, লোকজ জ্ঞান এবং শিল্পচর্চার নানা দিক সযত্নে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে হস্তান্তরিত হয়ে আসা এই সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকার নতুন প্রজন্মের সামনে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার এটি একটি অনন্য সুযোগ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আধুনিকতার ছোঁয়ায় অনেক জাতিগোষ্ঠীর নিজস্ব স্বকীয়তা ও ঐতিহ্য যখন হারিয়ে যেতে বসেছে, তখন এমন আয়োজন অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে মন্তব্য করেছেন আয়োজক ও বিশিষ্টজনেরা। এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে পাহাড়ি জনপদের মানুষের প্রাচীন শিল্পকলা এবং জীবনসংগ্রামের নানা ইতিবাচক চিত্র খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শনার্থীরা। এতে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

তিন দিনব্যাপী এই জমজমাট আয়োজন সফল করতে স্থানীয় বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সচেতন মহল নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। প্রদর্শনী প্রাঙ্গণে প্রতিদিন ভিড় জমাচ্ছেন দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসা কৌতূহলী মানুষ ও পর্যটকরা। এই ধরনের উদ্যোগ আগামীতেও নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকলে দেশের পাহাড়ি অঞ্চলের অমূল্য লোকসংস্কৃতি ও ইতিহাস সংরক্ষণ করা আরও সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page