বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১১ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
আমার সিদ্ধান্তেই বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যায়নি দল: আসিফ নজরুল তৈরি হচ্ছিল নকল বিদেশি সিগারেট, মেশিনসহ গ্রেফতার ৯ মিছিলের প্রস্তুতি, ৩ মাইক্রোবাসসহ আ’লীগের ৩১ নেতাকর্মী আটক কারাগার ছিল ঠিকানা, ৭ বছর বয়সে মুক্ত আকাশের নিচে মোবাশ্বেরা বেকারি পণ্যের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত স্থগিত, ৭ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জানা গেলো পরবর্তী দুই চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালের ভেন্যু অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল ও গুজব ছড়ানো পেজ বন্ধের নির্দেশ হাইকোর্টের হাজিদের কোনো কষ্ট-অবহেলা সহ্য করা হবে না: ধর্মমন্ত্রী ঢাবির জগন্নাথ হলের পাশে জোড়া ককটেল বিস্ফোরণ কেন মক্কায় নিরাপত্তা সতর্কতা জারির পর প্রত্যাহার করে নিলো সৌদি আরব

কারাগার ছিল ঠিকানা, ৭ বছর বয়সে মুক্ত আকাশের নিচে মোবাশ্বেরা

Reporter Name

সাধারণত শিশুদের শৈশব কাটে পরিবারের আদর-স্নেহ, খেলার মাঠ আর বিদ্যালয়ের আঙিনায়। বাবা-মায়ের হাত ধরে হাঁটা কিংবা সহপাঠীদের সঙ্গে ছোটাছুটি করা প্রতিটি শিশুর জন্মগত অধিকার হলেও, সবার ভাগ্য এক রকম হয় না। মোবাশ্বেরা নামের এক ছোট্ট শিশুর জীবনের শুরুর দিনগুলো কেটেছে কারাগারের চার দেয়ালের মাঝে। মুক্ত আকাশের আলো-বাতাস কী, তা না জেনেই কেটে গেছে তার জীবনের প্রথম সাতটি বছর।

কারাগারই ছিল যার একমাত্র ঠিকানা, সেই মোবাশ্বেরা সম্প্রতি সব আইনি প্রক্রিয়া ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে কারাগারের বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়েছে। জন্মের পর থেকেই মায়ের সঙ্গে তাকে কারাবাস করতে হয়েছিল, যা কোনো শিশুর জন্যই কাম্য নয়। জীবনের প্রতিটি সকাল তার শুরু হতো লোহার শিকের ভেতর থেকে, যেখানে বাইরের পৃথিবীর রঙিন আলো পৌঁছাত খুবই সীমিত আকারে। ছোট্ট এই শিশুর বেড়ে ওঠার সময়টাতে সঙ্গ বলতে ছিল কেবল কারাগারের ধূসর দেয়াল আর কয়েদিদের গুমোট পরিবেশ।

কারা কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে ও নির্দিষ্ট নিয়মের মধ্য দিয়ে দিন কাটলেও, সাত বছর বয়সী একটি শিশু যে ধরনের সামাজিকীকরণ ও মানসিক বিকাশের সুযোগ পাওয়ার কথা, তা থেকে সে সম্পূর্ণ বঞ্চিত ছিল। সহপাঠী বা খেলার সাথীহীন একাকী সেই পরিবেশে মোবাশ্বেরার শৈশব কেটেছে অত্যন্ত বৈরী পরিস্থিতিতে। তবে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে সে কারাগারের গণ্ডি পেরিয়ে এক নতুন পৃথিবীতে পা রেখেছে।

মুক্ত আকাশের নিচে এসে দাঁড়ানোর পর মোবাশ্বেরার জীবনের এক নতুন অধ্যায় শুরু হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তার এই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা এবং সমাজের মূল ধারায় খাপ খাইয়ে নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। এখন থেকে সে তার পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে মুক্ত পরিবেশে বড় হওয়ার সুযোগ পাবে এবং তার হারানো শৈশব কিছুটা হলেও ফিরে পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page