মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
ডিজিএফআইয়ের সাবেক ডিজি মামুনসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা হচ্ছে কাদেরসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড: সাত আসামির কার কী অপরাধ কাদেরসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড পর্যবেক্ষণে যা জানাল ট্রাইব্যুনাল আওয়ামী লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগ তিন সংগঠনেরই সভাপতি-সেক্রেটারির ফাঁসির আদেশ ইরানে ভাঙা পিঠ নিয়ে ৫০ ঘণ্টা, মার্কিন সেনা উদ্ধারের ভিডিও প্রকাশ হামে বাড়ছে প্রাণহানি, আরও ৬ শিশুর মৃত্যু যে চার অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড রোগী ও স্বজনদের বর্ণনায় উঠে এলো ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুনের ভয়াবহতা পুলিশে পূর্ণাঙ্গ সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই সালমানের ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট

কাদেরসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড পর্যবেক্ষণে যা জানাল ট্রাইব্যুনাল

Reporter Name

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ৭ আসামির বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে ঐতিহাসিক এই মামলার রায় ঘোষণার সময় এ বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়। ট্রাইব্যুনাল জানিয়েছে যে আসামিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের পেশ করা প্রতিটি অভিযোগই বিচার প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত নিখুঁতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মোট চারটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ গঠন করা হয়েছিল। ট্রাইব্যুনালের পর্যালোচনায় উঠে এসেছে যে এই চারটি অভিযোগের একটিরও পক্ষে কোনো ধরনের খণ্ডনযোগ্য প্রমাণ বা যুক্তি দেখাতে পারেননি আসামিপক্ষ। বরং প্রসিকিউশনের উপস্থাপিত সাক্ষ্যপ্রমাণ এবং তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে প্রতিটি অভিযোগের সত্যতা আদালতের কাছে সম্পূর্ণ পরিষ্কার হয়ে ওঠে।

এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায়ে অভিযুক্তদের মধ্যে অন্যতম প্রধান আসামি কাদেরসহ মোট সাতজনকে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। বিচারকমণ্ডলী তাদের রায়ের পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেন যে গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত নৃশংসতা এবং মানবতাবিরোধী কার্যক্রমের মাত্রা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, এর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি ছিল। ট্রাইব্যুনালের এই যুগান্তকারী রায় দেশের বিচার ব্যবস্থার ইতিহাসে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য, জুলাইয়ের গণআন্দোলন দমাতে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধের বিচার কার্যক্রমে এই রায়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ন্যায়বিচার পাওয়ার পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল। রায় ঘোষণার পর থেকেই দেশের আইন অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে এটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে এবং ট্রাইব্যুনালের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অনেকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page