রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:২৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :

ভালো কোম্পানিকে সহজে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করা হবে

Reporter Name

দেশের পুঁজিবাজারকে আরও গতিশীল ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বড় ও মানসম্পন্ন কোম্পানিগুলোকে সহজে তালিকাভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সম্ভাবনাময় এই প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে পুঁজিবাজার থেকে সহজেই মূলধন সংগ্রহ করতে পারে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাঠামোগত সংস্কার করা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব বড় কোম্পানির বার্ষিক টার্নওভার বা সম্পদের পরিমাণ কমপক্ষে ৫০০ কোটি টাকা রয়েছে, তারা এখন থেকে খুব সহজেই সরাসরি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবে। সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপের ফলে পুঁজিবাজারে বড় মূলধনী কোম্পানির অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।

সম্প্রতি চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কনফারেন্স হলে আয়োজিত ‘ক্যাপিটাল মার্কেট: গ্রোথ ডায়ালগ-পাথওয়ে টু লিস্টিং’ শীর্ষক এক বিশেষ সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএসইসি চেয়ারম্যান এই গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনার কথা জানান। চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এবং আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড যৌথভাবে এই ব্যবসায়িক সংলাপের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও পুঁজিবাজার বিশ্লেষকদের সামনে বিএসইসি প্রধান তালিকাভুক্তির প্রক্রিয়া সহজীকরণের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার দিকগুলো তুলে ধরেন।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হলে বিভিন্ন করপোরেট সুবিধা পাওয়া যায় বলে অনুষ্ঠানে উল্লেখ করা হয়। তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো করপোরেট ট্যাক্সে বিশেষ ছাড় পাওয়ার পাশাপাশি ব্যাংক থেকে খুব সহজেই ঋণ সুবিধা লাভ করতে পারে। এছাড়া এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশি-বিদেশি কৌশলগত বিনিয়োগ আকর্ষণ করাও অনেক সহজ হয়ে ওঠে, যা ব্যবসার দীর্ঘমেয়াদি প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে আইপিও প্রক্রিয়ায় তালিকাভুক্তির জন্য একবার অডিট সম্পন্ন করতে হলেও পরবর্তীতে বারবার অডিট করার ঝামেলা এড়ানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি আইপিওতে নির্দিষ্ট কোনো ফিক্সড প্রাইস বা নির্ধারিত মূল্যের পরিবর্তে একটি ইন্ডিকেটিভ মূল্য রাখার নিয়ম করা হচ্ছে, যা বাজারের বাস্তব পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হবে।

উদ্যোক্তারা সাধারণত ব্যবসা শুরু, সম্প্রসারণ এবং পুনর্গঠনের জন্য মানি মার্কেট ও পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করে থাকেন। তবে দীর্ঘসূত্রতা ও নানা জটিলতার কারণে অনেক ব্যবসায়ী পুঁজিবাজারের চেয়ে ঋণ খাতের ওপর বেশি নির্ভর করেন, যা বাজারকে কাঙ্ক্ষিত গতিশীলতা দিতে বাধাগ্রস্ত করে। বিএসইসি চেয়ারম্যানের মতে, ব্যবসার স্থিতিশীল ও টেকসই উন্নয়নের জন্য ঋণনির্ভরতা কমিয়ে পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ করাটাই অধিকতর শ্রেয়। বর্তমান দেশের মার্কেট ক্যাপিটালাইজেশনের তুলনায় গড় ট্রেডিং বেশি হওয়ায়, বড় কোম্পানিগুলোকে বাজারে টেনে আনতে সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত ও কার্যকর প্রচেষ্টা অত্যন্ত জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page