রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করেও বাংলাদেশের ওপরে উঠতে পারলো না ইংল্যান্ড

Reporter Name

পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করে তিনটিতেই জয় তুলে নিয়েছে ইংল্যান্ড। এজবাস্টনে অনুষ্ঠিত শেষ টেস্টে পাকিস্তানকে আট উইকেটে পরাজিত করে স্বাগতিক দল ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ নিজেদের করে নেয়। এর মাধ্যমে টেস্ট ক্রিকেটে নিজেদের পূর্ণ আধিপত্য প্রমাণ করলেও বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি ইংলিশরা। தொடரின் শুরু থেকেই একপেশে খেলায় প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা করে রাখলেও তারা টেবিলের ষষ্ঠ অবস্থানেই রয়ে গেছে। এমনকি চমৎকার এই হোয়াইটওয়াশ সত্ত্বেও তারা বাংলাদেশের পেছনেই অবস্থান করছে।

এজবাস্টনে জয়ের সুবাদে ইংল্যান্ডের জয় শতাংশ কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে ৩৮.৫৪ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এই সিরিজের আগে নয় দলের পয়েন্ট তালিকার একেবারে তলানিতে অর্থাৎ নবম স্থানে ছিল পাকিস্তান দল, যা এই পরাজয়ের পর আরও বেশি শোচনীয় হয়েছে। বর্তমানে পাকিস্তানের জয় শতাংশ নেমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৪.৮১ শতাংশে, যা তাদের টেবিলের সবচেয়ে নিচে আটকে রেখেছে। এই তালিকায় ৫৫.৫৬ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ, এবং ৮০.০০ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে অস্ট্রেলিয়া। এছাড়া ৭২.৭৩ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে নিউজিল্যান্ড ও ৭৫.০০ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

তৃতীয় টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে জয়ের জন্য ইংল্যান্ডের সামনে ১৩০ রানের খুব সাধারণ লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছিল। তবে রান তাড়ায় নামার পর ইনিংসের প্রথম ওভারেই মোহাম্মদ আব্বাসের বলে দুই ওপেনার বেন ডাকেট ও এমিলিও গে আউট হয়ে গেলে বড় বিপদে পড়ে স্বাগতিক দল। কোনো রান যোগ না করেই দুই উইকেট হারিয়ে দল যখন চরম চাপে, তখন ক্রিজে এসে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেন জো রুট ও জর্ডান কক্স। ব্যক্তিগত ইনিংসে বেশ কয়েকবার জীবন পাওয়ার সুযোগ কাজে লাগিয়ে রুট ৬২ রান এবং কক্স ৫৯ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন। এই জুটির দৃঢ়তা শেষ পর্যন্ত কোনো দুর্ঘটনা ছাড়াই ইংল্যান্ডকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়।

অন্যদিকে পাকিস্তানের ইনিংস হার এড়ানোর লড়াইয়ে বড় ভূমিকা রেখেছিলেন অভিষিক্ত পেসার রজাউল্লাহ। দলের চরম বিপর্যয়ের সময় নয় নম্বরে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৬৩ বলে ৯টি ছক্কার সাহায্যে ৮১ রানের এক অবিস্মরণীয় ইনিংস খেলেন তিনি। এর আগে ম্যাচের প্রথম ইনিংসে বল হাতে চার উইকেট শিকার করা এই তরুণ ব্যাটার মোহাম্মদ আব্বাসের সঙ্গে ১২১ রানের দুর্দান্ত এক জুটি গড়েন। তবে এই অলরাউন্ড নৈপুণ্য প্রদর্শন সত্ত্বেও সফরকারীদের রক্ষা করা সম্ভব হয়নি এবং শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানেই সিরিজ শেষ করতে হয় তাদের। এই বিপর্যয়ের ফলে লর্ডসে দ্বিতীয় টেস্টে বড় হারের পর পাকিস্তান দলের কোচিং স্টাফ ও একাদশে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছিল, যা মাঠের পারফরম্যান্সে কাঙ্ক্ষিত সুফল বয়ে আনতে পারেনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page