রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :

দুর্নীতির মামলায় সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন আরও ৭ জন, পরবর্তী শুনানি ২৮ অক্টোবর

Reporter Name

আইন-আদালত ডেস্ক: দুর্নীতি দমন কমিশনের করা অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান অব্যাহত রয়েছে। সম্প্রতি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ৫–এর বিচারক আবদুল্লাহ আল মামুনের আদালতে এই মামলার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে যাওয়ার অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা আদালতে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দেন। তবে অভিযুক্ত সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তা পলাতক থাকায় তাঁর পক্ষে কোনো আইনজীবীর জেরা করার সুযোগ ছিল না।

আদালতের সূত্র জানিয়েছে, এই ধাপে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মোট সাতজন কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন। সাক্ষ্য প্রদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন ইস্টার্ন কেবলস লিমিটেডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী নিরুপম সিংহ, ন্যাশনাল টিউবস লিমিটেডের উপপ্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফেরদৌস এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপসচিব মো. আমিনুল ইসলাম। এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবার কল্যাণ সমিতির প্রশাসক জি এম ইশতিয়াক আজিজ, র‍্যাংকন ডেভেলপমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহির এবং সাবরেজিস্ট্রার মাহবুবুর রহমান সাক্ষ্য দেন।

দুদকের কৌঁসুলি মীর আহমেদ আলী সালাম সংবাদমাধ্যমকে মামলার অগ্রগতির বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান যে, আদালতের এই শুনানিতে সাতজন সাক্ষীর সাক্ষ্য সফলভাবে রেকর্ড করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে খুব দ্রুতই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালতের বিচারক আগামী ২৮ অক্টোবর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন বলে নিশ্চিত করেন এই আইনজীবী।

মামলার বিবরণে প্রকাশ, গত বছরের ডিসেম্বরে দুদকের উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে তাঁর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, তথ্য গোপন ও অর্থ পাচারের অভিযোগ এনে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। তদন্তে তাঁর নামে ঘোষিত আয়ের চেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেশি স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ মেলে। মামলার বিভিন্ন নথিপত্র পর্যালোচনা করে আদালত ইতিমধ্যে অভিযোগ গঠন করেছেন এবং এখন পর্যন্ত নির্ধারিত সাক্ষীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page