রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে যাওয়ার পথ কি সত্যিই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে

Reporter Name

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও অভিবাসন নীতিতে সম্প্রতি বেশ কিছু কঠোর পরিবর্তন আনা হয়েছে। দেশটিতে আবাসনসংকট বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়া এবং রাজনৈতিক নানা সমীকরণের জেরে বিদেশি শিক্ষার্থীদের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। বিশেষ করে ভিসা পরিবর্তন বা হপিং বন্ধ করা, স্থানীয়ভাবে নতুন ভিসার আবেদন নিষিদ্ধ করা এবং আবেদন ফি তিন গুণ বাড়িয়ে আড়াই হাজার ডলারে উন্নীত করার ফলে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের অনেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন। তবে অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি কঠিন হলেও অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষার দরজা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, অস্ট্রেলিয়া সরকার ২০২৭ সালের জন্যও নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা বহাল রেখেছে। দেশটির অর্থনীতি ও বিভিন্ন সেবা খাত অনেকাংশেই আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ওপর নির্ভরশীল। মূলত স্থানীয় রাজনৈতিক চাপ এবং আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখেই অভিবাসীর সংখ্যা কমাতে এই সাময়িক কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। তবে সাধারণ কোনো কোর্সে তাড়াহুড়া করে ভর্তি না হয়ে কৌশলগতভাবে প্রস্তুতি নেওয়া এবং প্রথম সারির মানসম্পন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বেছে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

বর্তমান পরিস্থিতিতে যারা কম মানের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সস্তা ডিপ্লোমা কোর্সে আবেদন করছেন, তাদের ভিসা বাতিলের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি রয়েছে। অন্যদিকে, শীর্ষস্থানীয় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যোগ্য শিক্ষার্থীরা এখনো নিয়মিতভাবেই ভিসা পাচ্ছেন। এছাড়া আবেদনকারীদের নিজেদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, তহবিলে পর্যাপ্ত স্বচ্ছতা এবং ইংরেজির দক্ষতায় কোনো ঘাটতি রাখা উচিত নয়। কারণ ভিসা বাতিল হলে অস্বাভাবিক উচ্চহারে দেওয়া আবেদন ফি পুরোপুরি বাজোপ্ত হয়ে যায়।

পরিবার বা জীবনসঙ্গী সঙ্গে নেওয়ার নিয়মের পাশাপাশি কোর্স বা প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মূল কোর্স শুরুর প্রথম এক বছর কোনোভাবেই প্রতিষ্ঠান বদল করা যাবে না। একই সঙ্গে অস্থায়ী বিভিন্ন ভিসা থেকে সরাসরি শিক্ষার্থী ভিসা নেওয়ার পথও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে সাময়িক এই রাজনৈতিক উত্তেজনা ও প্রশাসনিক জটিলতা কেটে গেলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page