শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার ঝুঁকিতে ১ কোটি ৮১ লাখ মানুষ দুর্গাপূজায় চার সিনেমা, কোনটিতে কী আছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ দিনের ছুটি শুরু ছোট পর্দায় থাকছে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব ১৯ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল ক্র্যাশ প্রোগ্রামে কমেছে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি, ঝুঁকি কাটেনি সীতাকুণ্ডে পরিবার ও কর্মজীবনে সম্পর্ক ভালো রাখতে আবেগীয় বুদ্ধিমত্তার ওপর গুরুত্ব আউশ, আলু ও গমের উৎপাদন কমেছে পীরগঞ্জে দুর্গাপূজা উপলক্ষে পৌর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির শাড়ি লুঙ্গি বিতরণ অধিদপ্তরের কাছে পাত্তাই পাচ্ছে না স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বন্দর লিজের আগে জনগণের মতামত নেওয়ার আহ্বান সাইফুল হকের

আউশ, আলু ও গমের উৎপাদন কমেছে

Reporter Name

অর্থনীতি ডেস্ক: প্রতিকূল আবহাওয়া ও অন্যান্য নানা কারণে দেশের তিন গুরুত্বপূর্ণ কৃষিপণ্য আউশ ধান, আলু এবং গমের উৎপাদন গত বছরের তুলনায় কিছুটা কমেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ তথ্যে এই চিত্র উঠে এসেছে। তবে প্রধান ফসলগুলোর ফলন কমলেও কৃষকদের কঠোর পরিশ্রম এবং সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপে দেশে খাদ্য ঘাটতির কোনো আশঙ্কা নেই বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তাঁরা আরও উল্লেখ করেন যে, গত বছরের তুলনায় কমলেও কিছু এলাকায় অধিক ফলনশীল ও উচ্চমূল্যের ফসলের চাষাবাদ বেশ কিছুটা বেড়েছে।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে আউশ ধানের মোট উৎপাদন দাঁড়িয়েছে ২৭ লাখ ৮ হাজার ১৯১ টন, যা গত বছর ছিল ২৭ লাখ ৯৩ হাজার ৪৪৬ টন। শতকরা হিসেবে আউশ উৎপাদন প্রায় তিন দশমিক পাঁচ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। কৃষিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, আমন বা বোরোর তুলনায় আউশের উৎপাদনশীলতা কম হওয়ায় কৃষকেরা তুলনামূলক সহজ ও লাভজনক অন্য ফসলের দিকে ঝুঁকছেন। এর ফলে আউশ আবাদের জমির পরিমাণ ও মোট উৎপাদনের পরিমাণ উভয়ই ক্রমান্বয়ে সংকুচিত হচ্ছে।

একইভাবে চলতি বছর জনপ্রিয় খাদ্যপণ্য আলুর ফলনও গত বছরের তুলনায় দুই দশমিক ৬১ শতাংশ কমে মোট ১ কোটি ১২ লাখ ৭২ হাজার ১৪ টনে নেমেছে। এছাড়া গমের উৎপাদন এক দশমিক ১৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ২৮ হাজার ৭৮১ টনে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুর রহিম জানান, মূলত আবহাওয়া জনিত প্রতিকূলতার কারণেই আউশের উৎপাদন কিছুটা কমেছে। কৃষকদের ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং বিকল্প লাভজনক চাষাবাদের কারণে কিছু ক্ষেত্রে আলুর আবাদ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।

এদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব, সার সংকট এবং জ্বালানির উচ্চ মূল্যের কারণে দেশের সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বৈশ্বিক সংকটের জেরে কৃষি উপকরণের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় বাজারে খাদ্য মূল্যস্ফীতির চাপ অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় খাদ্যপণ্য উৎপাদক ও ভোক্তার দূরত্ব কমানো এবং বাজারজাতকরণ ব্যবস্থা সংস্কারের ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। কৃষি অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্ট গবেষকেরা কৃষিখাতে সরকারি বিনিয়োগ, ভর্তুকি এবং প্রণোদনা আরও বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page