বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
২০২৭ সালের মধ্যে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের অঙ্গীকার সরকারের ৭০ লাখ ডলার বিনিয়োগে মীরসরাইয়ে কারখানা করবে চীনা প্রতিষ্ঠান বৃহস্পতির চৌম্বকীয় বলয়ে নতুন রহস্যের সন্ধান পেল জুনো নয়াদিল্লির সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটির গভর্নরস বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন ইউজিসি চেয়ারম্যান মামুন আহমেদ নিরাপদ অভিবাসন ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির রোডস: সমুদ্র, ইতিহাস আর কিছু জীবন্ত স্মৃতি ৮০ কেজি প্লাস্টিক বর্জ্য পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণে পাঠাল ড্যাফোডিল বন্ধুসভা মিট বাংলাদেশি সায়েন্টিস্ট অনুষ্ঠানে বিজ্ঞানী জেবা ইসলাম সেরাজ সরকার নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না কেন, কী বলছেন ব্যবসায়ীরা কাল থেকে শুরু ‘ঐতিহ্য বুক কার্নিভাল ২০২৬’

সরকার নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না কেন, কী বলছেন ব্যবসায়ীরা

Reporter Name

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের বাজারে লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির দাম নিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের দীর্ঘদিনের অসন্তোষ কাটছে না। জ্বালানি খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা নিয়মিতভাবে সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করে দিলেও মাঠপর্যায়ে তা কার্যকর হচ্ছে না। অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে, যার ফলে সাধারণ ভোক্তারা আর্থিক সংকটে পড়ছেন।

খুচরা বিক্রেতা ও ডিলারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা কোম্পানির নির্ধারিত বা সরকারি মূল্যে সিলিন্ডার সংগ্রহ করতে পারছেন না। পাইকারি পর্যায় থেকেই অতিরিক্ত দামে গ্যাস কিনতে বাধ্য হওয়ায় তারা কম দামে বিক্রি করতে পারেন না। ডিলারদের দাবি, পরিবহন খরচ, ডিস্ট্রিবিউশন চার্জ এবং বিভিন্ন স্তরের বাড়তি ব্যয়ের কারণে প্রকৃত কেনা দামই সরকারের বেঁধে দেওয়া খুচরা মূল্যকে ছাড়িয়ে যায়।

ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিনিধিরা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি এবং ডলারের বিনিময় হারের ঊর্ধ্বগতির অজুহাত দেখিয়ে পরিবেশকরা বেশি দাম নিচ্ছেন। এছাড়া সরবরাহের ক্ষেত্রে কিছু সিন্ডিকেট কাজ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে, যারা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম চড়া রাখতে সহায়তা করে। সরকারের পক্ষ থেকে নজরদারি বাড়ানো হলেও অসাধু চক্রের কারণে সুফল মিলছে না।

এই পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধানের জন্য কঠোর মনিটরিং এবং সাপ্লাই চেইন বা সরবরাহ ব্যবস্থা স্বচ্ছ করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। অন্যথায় সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাবে রান্নার এই অতি জরুরি জ্বালানি। ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলোও দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণে আনার তাগিদ দিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page