সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
সাউথ এশিয়ান ইউনিভার্সিটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হলেন ইউজিসি চেয়ারম্যান মামুন আহমেদ দিল্লিতে আন্দোলনে দমন-পীড়নের প্রতিবাদে শাহবাগে মশালমিছিল রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিতে কালি মাখানোর প্রতিবাদে উদীচীর সাংস্কৃতিক পরিবেশনা আয়াস, মারজিয়াদের বিরুদ্ধে কোন ধারায় কী কী অভিযোগ আনা হয়েছে জার্মান পর্যটকের সেই ল্যাপটপ নাটোর থেকে উদ্ধার দক্ষিণ এশিয়ায় বাল্যবিবাহের হার সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ, সুভাস্তু ডেভেলপমেন্টে দুদকের অনুসন্ধান চাঁদাবাজ-দখলদারদের জায়গা নেই বিএনপিতে চাঁদাবাজি ও দখলদারিতে জড়ালে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনে আবু সাঈদের মতো জীবন দেব: জামায়াত এমপি

দক্ষিণ এশিয়ায় বাল্যবিবাহের হার সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বর্তমানে বাংলাদেশে বাল্যবিবাহের হার সবচেয়ে বেশি রয়েছে। দেশের সামগ্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির মাঝেও এই প্রাচীন ব্যাধি এখনো বড় একটি উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই অঞ্চলের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় আমাদের দেশে কম বয়সে বিয়ে দেওয়ার প্রবণতা সর্বাধিক।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, বিগত বছরগুলোর তুলনায় দেশে অপ্রাপ্তবয়স্ক কন্যাশিশুদের বিয়ের হার কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। সরকারের বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম এবং সামাজিক আন্দোলন এই হার কমাতে কিছুটা হলেও ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। তবে হারের দিক থেকে সামান্য উন্নতি হলেও সামগ্রিক চিত্রের তেমন বড় কোনো পরিবর্তন ঘটেনি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের বিশাল জনসংখ্যার একটি বড় অংশ এখনো এই নির্মম সামাজিক প্রথার শিকার। বর্তমানে বাংলাদেশে আনুমানিক চার কোটি ১৬ লাখ বাল্যবধূ রয়েছে, যা নারী সমাজের সামগ্রিক উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এক বিশাল অন্তরায়। বিপুল সংখ্যক এই বাল্যবধূর উপস্থিতি দেশের জনমিতি ও জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপরও মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

বাল্যবিবাহের মতো এই গুরুতর সামাজিক সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য শুধু আইন প্রয়োগ করলেই চলবে না, বরং এর মূল কারণগুলো চিহ্নিত করতে হবে। গ্রামীণ জনপদে দারিদ্র্য, সামাজিক নিরাপত্তা এবং শিক্ষার অভাব দূর করতে না পারলে এই সংকট থেকে পুরোপুরি মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়। তাই সংশ্লিষ্ট মহলের জোরালো পদক্ষেপে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনের কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page