রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪২ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
ঢাকা কর অঞ্চল ২৫–এর অধীনে চাকরি, পদ ৬১, বেতন স্কেল ২০০০০ থেকে ২৪০০০ টাকা প্রবাসী আয়ে শীর্ষ ১০ ব্যাংকের তালিকায় কোনগুলো সন্ত্রাস-নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে ইসলামপুরে ছাত্রদলের মশাল মিছিল ও সমাবেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের পারমাণবিক সমঝোতা: নতুন সহযোগিতা, নাকি ভূরাজনৈতিক সমীকরণ? তিন মাসে পোশাক রপ্তানিতে আয় ১০৫৮ কোটি ডলার বাংলাদেশের পাটপণ্যে ভারতের একের পর এক শুল্কের খড়গ আইনের ফাঁক ও তদবিরে পার পেয়ে যাচ্ছে অপরাধীরা কৃষি-রোবট বানিয়ে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশের হাসিবুর আল-আরাফাহ্‌ ইসলামী ব্যাংকে এমটিও পদে চাকরি, লাগবে না অভিজ্ঞতা বড় সংস্কার ছাড়া সংবিধানের ছোটখাটো সংশোধনে রাষ্ট্রকাঠামো বদলাবে না

আইনের ফাঁক ও তদবিরে পার পেয়ে যাচ্ছে অপরাধীরা

Reporter Name

অপরাধ ডেস্ক: রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা মারাত্মক রূপ ধারণ করেছে। উঠতি বয়সের তরুণরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে অলিগলিতে মহড়া দিচ্ছে এবং ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তাদের সহিংস কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষের মনে চরম আতঙ্ক তৈরি করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মাঠপর্যায়ে সাঁড়াশি অভিযান চালালেও অপরাধের এই শেকড় সহজে উপড়ে ফেলা যাচ্ছে না।

কিশোর অপরাধ দমনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রের তীব্র সংকট। দেশে বর্তমানে মাত্র তিনটি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র রয়েছে, যেখানে অনুমোদিত আসন মাত্র ছয়শ হলেও বাস্তবে তার চেয়ে দ্বিগুণ কিশোরকে গাদাগাদি করে রাখা হয়েছে। ধারণক্ষমতা না থাকায় পুলিশ অনেক সময় আইন অনুযায়ী আটকদের কেন্দ্রে পাঠাতে পারে না। এছাড়া জন্মসনদ ও বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে নানা জালিয়াতি এবং রাজনৈতিক প্রভাবে অনেক কিশোর সহজেই থানা থেকে ছাড়া পেয়ে যায়।

আইন অনুযায়ী আঠারো বছরের কম বয়সীদের শিশু হিসেবে গণ্য করা হয় এবং তাদের ক্ষেত্রে বিশেষ আইনি সুরক্ষা থাকে। তবে এই সুরক্ষার সুযোগ নিয়ে অনেক প্রাপ্তবয়স্ক অপরাধীও কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অপরাধ চালিয়ে যাচ্ছে। অপরাধের মাত্রা বিবেচনা করে এই বয়সসীমা পুনর্বিবেচনা করার দাবি উঠেছে। পাশাপাশি জালিয়াতি রোধে বয়স যাচাইয়ের একটি দ্রুত ও নির্ভুল ডিজিটাল পদ্ধতি চালুর প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

কিশোর গ্যাংগুলোর পেছনে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও রাজনৈতিক গডফাদাররা মদদ জুগিয়ে থাকে। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করলেও রাজনৈতিক তদবির এবং কিছু ক্ষেত্রে ক্ষমতার অপব্যবহারের কারণে মুচলেকায় ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এই সংস্কৃতির অবসান ঘটাতে পুলিশ সদর দপ্তর এখন আইন সংশোধনসহ যুগোপযোগী ও বাস্তবসম্মত নানা প্রস্তাবনা তৈরি করছে। অপরাধের পুনরাবৃত্তি রোধে থানাভিত্তিক ডিজিটাল ডেটাবেজ তৈরি এবং মূল পৃষ্ঠপোষকদের আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page