শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০০ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
চট্টগ্রাম বন্দরে বিদেশি অপারেটর: চুক্তিতে কী আছে রাজধানী ঢাকায় ৩২ বাস রুটে ফ্র্যাঞ্চাইজি, ৭ কার্যদিবসের মধ্যে শুরু গণভোটের রায় পাশ কাটিয়ে সংবিধান সংশোধন মানবে না জামায়াত, জোরদার করবে রাজপথের আন্দোলন নাগরিকদের দৈনিক চাহিদা পূরণে কাজ করছে সরকার: অর্থমন্ত্রী তৃণমূলের ১০ বিধায়কের পদ বাতিলের আবেদন খারিজ করলেন স্পিকার মব–সংস্কৃতি: ক্ষোভের প্রকাশ, নাকি সংগঠিত সন্ত্রাস আইএমএফের নতুন ঋণ ৪৫০ কোটি ডলার, চুক্তি হতে পারে ডিসেম্বরে দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম প্রতিবাদ উপেক্ষা করে ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে এনটিসি জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মজিবুর রহমান হাসপাতালে ভর্তি

তৃণমূলের ১০ বিধায়কের পদ বাতিলের আবেদন খারিজ করলেন স্পিকার

Reporter Name

রাজনীতি ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জমা দেওয়া ১০ জন বিধায়কের সদস্যপদ বাতিলের আবেদন আনুষ্ঠানিকভাবে খারিজ করে দিয়েছেন স্পিকার। শাসকদলের পক্ষ থেকে এই বিধায়কদের বিরুদ্ধে দলত্যাগী হওয়ার অভিযোগ এনে পদ হারানোর দাবি জানানো হয়েছিল। তবে দীর্ঘ শুনানির পর বিধানসভার স্পিকার এই আবেদন নাকচ করে দেন, যা রাজ্য রাজনীতিতে বেশ তাৎপর্যপূর্ণ একটি ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আইনি লড়াইয়ের এই পর্বে অভিযুক্ত বিধায়কদের পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে জোরালো যুক্তি পেশ করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট বিধায়কদের আইনজীবীরা দাবি করেন যে, বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় যে পুরনো আইনের ভিত্তিতে এই পদ খারিজের আবেদন করেছিলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে তা সম্পূর্ণ অকার্যকর। মূলত বিধানসভার বর্তমান নিয়মকানুন এবং আইনি জটিলতার কারণেই ওই আবেদনটি টিকতে পারেনি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিধানসভার অন্দরে এই সিদ্ধান্ত আসার পর রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধীরা এই ঘটনায় শাসকদলের কৌশলগত ব্যর্থতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেও, সংশ্লিষ্ট বিধায়করা এই রায়কে নিজেদের পক্ষে আইনি জয় বলেই মনে করছেন। এর ফলে আপাতত ওই দশ বিধায়কের বিধানসভার সদস্যপদ নিয়ে কোনো আইনি সংকট রইল না এবং তাঁরা তাঁদের নিজ নিজ পদে বহাল থাকছেন।

উল্লেখ্য, এর আগেও দলবদল সংক্রান্ত বিভিন্ন মামলা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে নানা জলঘোলা হয়েছে। বর্তমান রায়ের পর এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে আইনি লড়াইয়ের পরিধি আরও বাড়ে কি না, সেদিকেই এখন নজর রয়েছে সব মহলের। বিধানসভার স্পিকারের এই আদেশের ফলে আপাতত স্বস্তিতে রয়েছেন অভিযুক্ত জনপ্রতিনিধিরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page