বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৫ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
পানির হিস্যায় ভারতকে এক চুলও ছাড় দেবো না: নাহিদ ইসলাম বৈদেশিক ঋণের অর্থ সংরক্ষণে এফসি হিসাব খোলার সুযোগ খনন শেষে মিলেছে গ্যাস, যুক্ত হবে গ্যাসের জাতীয় গ্রিডে ‘হাসিনার এ মাসেই আসা উচিত ছিল’—অডিও ক্লিপটি ওসি রাকিবুলেরই ক্যান্সার চিকিৎসায় বড় উদ্যোগ, দেশে আসছে ১৭ রেডিওথেরাপি মেশিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঢাকা শহরে প্ল্যান ছাড়া বানানো ভবনগুলো শনাক্ত করছি: গণপূর্তমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা হবে নির্মোহ ও নির্ভুল: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী নতুন করে কেউ আ.লীগ হতে চাইলে পরিণতি হাসিনার মতোই হবে: রাশেদ প্রধান বীর মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় আর আবেদন নয়, চূড়ান্ত যাচাইয়ে বাদ পড়বেন অ-মুক্তিযোদ্ধারা প্রতি বছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি, প্রজ্ঞাপন জারি

ঢাকা শহরে প্ল্যান ছাড়া বানানো ভবনগুলো শনাক্ত করছি: গণপূর্তমন্ত্রী

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: রাজধানী ঢাকায় অনুমোদিত নকশা বা প্ল্যান না মেনে যেসব ভবন নির্মাণ করা হয়েছে, সেগুলোর তালিকা প্রস্তুত ও চিহ্নিত করার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। রাজধানীর বনানীতে একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এক বিশেষ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) আওতাধীন ধানমন্ডিসহ বিভিন্ন এলাকায় ভবন নির্মাণের প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া হলেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে তা মানা হয়নি। অনিয়ম রোধে সরকারের পক্ষ থেকে এসব অবৈধ বা নকশাবহির্ভূত স্থাপনা কঠোরভাবে নজরদারিতে আনা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে দেশের টেকসই নগরায়ণ ও পরিকল্পিত ভবিষ্যতের রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা। ব্যবসা ও অর্থনীতিবিষয়ক পত্রিকার উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন এর সম্পাদক। এ সময় রাজউকের চেয়ারম্যান, বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের প্রধানসহ আবাসন ও নির্মাণ খাতের শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা দেশের বর্তমান আবাসন খাতের নীতিগত চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় সম্পর্কে তাদের সুচিন্তিত মতামত তুলে ধরেন।

পরিকল্পিত নগরায়ণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে গৃহায়নমন্ত্রী জানান যে আরবান ডেভেলপমেন্ট ডাইরেক্টরেটের (ইউডিডি) মাধ্যমে প্রায় দশ বছর মেয়াদি একটি সুদূরপ্রসারী মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে। এর আওতায় প্রথমে বড় শহরগুলো এবং পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট জোনিং বা এলাকাভিত্তিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে। সঠিক তথ্যের ঘাটতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন যে নির্ভুল পরিকল্পনার জন্য দ্রুত নতুন একটি জনশুমারি পরিচালনা করা অত্যন্ত জরুরি। এছাড়া ভবন নির্মাণ খাতের শৃঙ্খলা ফেরাতে ‘বাংলাদেশ বিল্ডিং রেগুলেটরি অথরিটি’র কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

গুলশান ও বনানীর মতো অভিজাত এলাকার বিভিন্ন অবকাঠামোগত ত্রুটির কথা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান যে সেখানকার অধিকাংশ বাড়িতে নিয়ম অনুযায়ী সেফটি ট্যাংক ও সোকওয়েল রাখা হয়নি। অনেক নামী ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানও সুয়ারেজের বর্জ্য সরাসরি স্টর্ম ড্রেনের সঙ্গে সংযোগ দিয়ে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছে। এসব সমস্যা সমাধানে স্থানীয় সোসাইটিগুলোর সঙ্গে ইতোমধ্যে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সবাইকে সচেতন করার প্রচেষ্টা চলছে। গুলশান বা বারিধারার মতো এলাকার ব্যবস্থাপনা যদি ঠিক করা না যায়, তবে সার্বিকভাবে দেশের নগরায়ণ পরিস্থিতি উন্নত করা কঠিন হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page