রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
ডেঙ্গুতে রেকর্ড সংক্রমণ, মৃত্যু ৬ জনের সংবিধান সংশোধনে আবার গণভোট করবে সরকার ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, একদিনে সর্বোচ্চ ২১৫৮ জন ভর্তি টঙ্গীতে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় মা-ছেলের মৃত্যু টেনেসিতে ২০০ বছর পর এই প্রথম কোনো নারীর মৃত্যুদণ্ড হতে যাচ্ছে ৬০৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলার অনুমোদন ৪৪ বছর পর খুঁজে পাওয়া গেল কিশোরীর লুকিয়ে রাখা চিঠি সাপের কামড়ে আইসিইউতে রাবি শিক্ষার্থী, প্রভোস্টের পদত্যাগ দাবিতে প্রশাসন ভবন ঘেরাও ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারি পুলিশ দেখে কেক ও মোটরসাইকেল ফেলে পালালেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা

৬০৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলার অনুমোদন

Reporter Name

কাগুজে ও নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠান দেখিয়ে বিশাল অঙ্কের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে বেক্সিমকো গ্রুপের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সালমান ফজলুর রহমানসহ মোট ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সম্প্রতি দুদক সচিব সাইদুর রহমান খান সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন। প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, কোনো ধরনের বাস্তব অস্তিত্ব ছাড়াই ব্যাংক থেকে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে, যা রাষ্ট্রীয় আর্থিক খাতের জন্য একটি বড় ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির দৃষ্টান্ত।

দুদক সূত্রে জানা যায়, স্কাইমার্ক ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড নামের একটি অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠান তৈরি করে পর্যাপ্ত জামানত বা সঠিক মূল্যায়ন ছাড়াই ভুয়া ঋণ অনুমোদন ও তার পরিমাণ বাড়ানো হয়। কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই না করেই ওই প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ৫৩৮ কোটি টাকার বেশি ঋণ বিতরণ করা হয় এবং পরবর্তীতে তা নগদে উত্তোলন করা হয়। ব্যাংকটির সংশ্লিষ্ট নীতিমালা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর নির্দেশনা সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেই এই অর্থ আত্মসাতের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দুদক।

তদন্তে আরও বেরিয়ে এসেছে যে, সুদাসলে এই ঋণের আর্থিক পরিমাণ বর্তমানে ৬০৪ কোটি টাকারও বেশি দাঁড়িয়েছে যা সরাসরি আইএফআইসি ব্যাংকের মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়েছে। আত্মসাৎ করা এই অর্থের উৎস, অবস্থান এবং গন্তব্য সম্পূর্ণ গোপণ করার উদ্দেশ্যে তা নানা অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর, রূপান্তর ও মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে পাচার করা হয়। ব্যাংকের তৎকালীন শীর্ষ মহলের যোগসাজশেই এই অবৈধ আর্থিক লেনদেন সম্ভব হয়েছিল বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তারা।

এই পুরো দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় সালমান এফ রহমান ছাড়াও তাঁর ছেলে আহমেদ সায়ান ফজলুর রহমানসহ মোট ২৫ ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারা ছাড়াও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন এবং ২০১২ সালের মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। দুদকের এই কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমে ব্যাংক খাতের অনিয়ম ও জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত প্রভাবশালী ব্যক্তিদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার প্রক্রিয়া আরও বেগবান হবে বলে মনে করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page