শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
এক সিনেমার পরেই অভিনয় ছাড়েন শাহরুখের নায়িকা, স্বামী ৪৮ হাজার কোটি রুপির মালিক কেন কিছু মানুষ বিশ্বাস করেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই খ্রিস্টবিরোধী, যা মানুষকে শয়তানের উপাসনায় প্ররোচিত করছে পিকলবল খেলে ১৩ বছরের কিশোরীর বিশ্বভ্রমণ সেরা হয়ে ১২ কোটি টাকা পেলেন, ১৬ বছর বয়সী কে এই নেনে ক্যামেরায় ধরা পড়ল কোয়ান্টাম জগতের রহস্য নানা সংকটে মুখ থুবড়ে পড়েছে প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা বোমা হামলা থেকে জাতিসংঘে, কূটনীতির নতুন অধ্যায়ে ইরান বগুড়া পুলিশে বিল জালিয়াতি: আত্মসাৎ ৩ কোটি, তদন্তে ৩০ পুলিশ সদস্যের নাম ফেরাটা সুখের হলো না মানচিনির, বেলজিয়ামের কাছে হার ইতালির যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের ভাবমূর্তি ‘নজিরবিহীন তলানিতে’ নামিয়েছেন নেতানিয়াহু

ক্যামেরায় ধরা পড়ল কোয়ান্টাম জগতের রহস্য

Reporter Name

কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যার সবচেয়ে বিস্ময়কর ও রহস্যময় একটি ধারণা হলো কোয়ান্টাম এন্ট্যাঙ্গেলমেন্ট বা কোয়ান্টাম জট। এই তত্ত্বর মূল কথা হলো, দুটি কণা যদি একবার কোয়ান্টামগতভাবে জড়িয়ে যায়, তবে তাদের মধ্যে বিশাল দূরত্ব থাকলেও একটির আচরণ অন্যটিকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। বিখ্যাত পদার্থবিদ আলবার্ট আইনস্টাইন এই অদ্ভুত ঘটনাটিকে দূর থেকে ঘটা ভৌতিক কাণ্ড বা স্পুকি অ্যাকশন অ্যাট আ ডিসট্যান্স হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। চিরায়ত পদার্থবিদ্যার নিয়মের সঙ্গে এটি না মেলায় আইনস্টাইন মনে করতেন এর পেছনে কোনো গোপন চলক বা অজানা তথ্য রয়েছে।

আইনস্টাইনের সেই ধারণার সঠিকতা যাচাই করতে গিয়ে ষাটের দশকে পদার্থবিদ স্যার জন বেল একটি তাত্ত্বিক সমাধানের প্রস্তাব করেছিলেন। বেলের অসমতা নামে পরিচিত এই সূত্রের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করে দেখতে চেয়েlardı যে কণাগুলোর আচরণের পেছনে আসলেই কোনো গোপন তথ্য কাজ করে কি না। বিভিন্ন পরীক্ষায় এর আগে বেলের অসমতা লঙ্ঘনের প্রমাণ মিলেছিল, যা কোয়ান্টাম জগতের অদ্ভুত আচরণকে আরও জোরালো করে তুলেছে। তবে এতদিন বিষয়টি কেবল গাণিতিক হিসাব-নিকাশ ও পরীক্ষাগারের পরিসংখ্যানেই সীমাবদ্ধ ছিল।

এই জটিল বিষয়টিকে দৃশ্যমান করতে কয়েক বছর আগে যুক্তরাজ্যের গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক একটি অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছিলেন। গবেষক দলটি বিশেষ এক ধরনের ক্যামেরা ব্যবহার করে প্রথমবারের মতো কোয়ান্টাম এন্ট্যাঙ্গেলমেন্টের দৃশ্যমান প্রভাব ক্যামেরাবন্দি করতে সক্ষম হন। এই পরীক্ষার অংশ হিসেবে তাঁরা অতিবেগুনি লেজার রশ্মি বিটা-বেরিয়াম বোরেট ক্রিস্টালের ওপর ফেলে ফোটন কণাগুলোকে বিভক্ত করেন। এর ফলে তৈরি হওয়া জোড়া ফোটন কণাগুলো পরস্পরের সঙ্গে কোয়ান্টাম জটে আবদ্ধ হয়ে পড়ে এবং তাদের আচরণে বেলের অসমতা লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া যায়।

এই গবেষণায় ব্যবহৃত ক্যামেরাটি এতটাই সংবেদনশীল ছিল যে এটি অতি ক্ষুদ্র একক ফোটন কণা আলাদাভাবে শনাক্ত করতে পারত। যখনই মূল ফোটনের সঙ্গে তার এন্ট্যাঙ্গেলড সঙ্গী কণাটি ধরা পড়ত, তখনই ক্যামেরাটি ছবি তুলে সেই মুহূর্তটি সংরক্ষণ করত। এই গবেষণার অন্যতম মূল প্রণেতা বিজ্ঞানী মাইলস প্যাজেট মনে করেন, কোয়ান্টাম এন্ট্যাঙ্গেলমেন্ট যাচাইয়ের ক্ষেত্রে এই যুগান্তকারী পরীক্ষাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এবং কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফির মতো আধুনিক প্রযুক্তির প্রসারে এই ধরনের গবেষণা নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page