সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২১ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

রাতে কী খাচ্ছেন, তার ওপর কি নির্ভর করছে ঘুম?

Reporter Name

সারাদিনের ধকল শেষে আমরা সাধারণত ঘুমোতে যাওয়ার আগে নানা ধরনের খাবার খেয়ে থাকি, যা আমাদের শরীরের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। চিকিৎসক ও পুষ্টিবিদদের মতে, শারীরিক ক্লান্তি যেমন মানুষের ক্ষুধাবোধ বাড়িয়ে দেয়, তেমনই ক্ষুধার অস্বস্তি অনেক সময় রাতের ঘুমকে বিঘ্নিত করে। তবে খাবার এবং ঘুমের এই চক্রটি কেবল ক্লান্তি বা ক্ষুধার অনুভূতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এর বিস্তৃতি আরও অনেক বেশি গভীরে।

সাম্প্রতিক বেশ কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষণায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে, যেখানে বলা হচ্ছে মানুষ প্রতিদিন রাতে ঠিক কী ধরনের খাবার খাচ্ছেন এবং কোন সময়ে খাচ্ছেন—উভয় বিষয়ই ঘুমের গুণগত মানের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ভারী, তেল-চর্বিযুক্ত বা অতিরিক্ত মসলাদার খাবার রাতের বেলা হজম করতে শরীরকে বেশি পরিশ্রম করতে হয়, যার ফলে ঘুমের গভীরতা নষ্ট হতে পারে। অন্যদিকে, সঠিক সময়ে হালকা ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করলে তা শরীর ও মনকে শান্ত করে একটি গভীর এবং প্রশান্তিদায়ক ঘুমের পরিবেশ তৈরি করতে সাহায্য করে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস এবং ঘুমাতে যাওয়ার ঠিক আগে ভারী খাবার খাওয়ার প্রবণতা আমাদের শরীরের স্বাভাবিক জৈবিক ঘড়ি বা সার্কাডিয়ান রিদমকে ওলটপালট করে দিতে পারে। এর ফলে শুধু যে রাতে বারবার ঘুম ভেঙে যায় তা নয়, বরং পরদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরও শরীর ক্লান্ত ও অবসন্ন বোধ করে। তাই সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশ্রাম নিশ্চিত করতে রাতের খাবারের মেনু ও সময় নির্ধারণের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া উচিত বলে মনে করছেন গবেষকরা।

পরিশেষে বলা যায়, অনিদ্রা বা ঘুমের নানা সমস্যায় ভোগা ব্যক্তিরা যদি তাদের দৈনন্দিন ডায়েট বা খাদ্যতালিকায় কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আনেন, তবে রাত কাটানোর অভিজ্ঞতা অনেকটাই বদলে যেতে পারে। ঘুমের সঠিক চক্র বজায় রাখতে রাতে কী খাওয়া হচ্ছে এবং কখন খাওয়া হচ্ছে—এই দুটি বিষয়ের ওপর সচেতন নজর রাখা অত্যন্ত জরুরি। কারণ মানসম্মত ও গভীর ঘুম কেবল শারীরিক শক্তি ফিরিয়ে আনে না, বরং দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ ও সুন্দর জীবনযাপন নিশ্চিত করতেও এটি প্রধান ভূমিকা পালন করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page