রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

সড়কের দুই পাশে গাড়ি পার্ক না করার আহ্বান সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির

Reporter Name

যানবাহনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দেশের সকল চালক ও মালিকদের প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি। সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সড়কের দুই পাশে কিংবা কোনো ধরনের নির্জন স্থানে যানবাহন পার্কিং করা থেকে বিরত থাকা অত্যন্ত জরুরি। মূলত বিভিন্ন ধরনের অপ্রত্যাশিত ঝুঁকি এড়াতে এবং গাড়ির নিরাপত্তা রক্ষা করতেই এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, যত্রতত্র গাড়ি ফেলে রাখার কারণে একদিকে যেমন মূল্যবান যানবাহনের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়, অন্যদিকে তেমনি রাজপথে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। অনেক সময় রাতের বেলা বা ফাঁকা রাস্তায় পার্ক করা গাড়িতে নানা ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে থাকে, যা চালক ও মালিক উভয়ের জন্যই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই পরিস্থিতি এড়াতে মালিক ও চালক উভয় পক্ষকেই আরও বেশি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল যান চলাচলের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্ধারিত এবং নিরাপদ স্থানে গাড়ি পার্কিং করার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে চালকদের সচেতন করার জন্য পরিবহন মালিকদের প্রতিও বিশেষ নির্দেশনা প্রদান করেছে সংগঠনটি যাতে কোনো অবস্থাতেই চালকেরা ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে গাড়ি না রাখেন। সড়ক ব্যবস্থাপনা এবং সাধারণ জনগণের যাতায়াত সহজ করার ক্ষেত্রেও এই নিয়মের কড়াকড়ি পরিপালন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে গাড়ি মালিক ও চালকেরা যদি সচেতন হন, তবে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে। ভবিষ্যতে গাড়ির নিরাপত্তা ও ট্রাফিক আইন মেনে চলার বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হতে পারে বলেও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। পরিশেষে, চালক ও মালিকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টাই সড়কের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার প্রধান শর্ত হিসেবে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে সংগঠনটি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page