শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
বিশ্ব বাঁশ দিবস উদযাপনের সাতটি কারণ ধানমন্ডিতে শিশুদের খেলাধুলায় বাড়ল নতুন সুযোগ, চালু হলো ইনডোর-বাবুল্যান্ড এশিয়া যেভাবে তীব্র এল নিনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে বদলে যাচ্ছে পদ্মার গতিপথ, বাড়ছে ভাঙন ও ঘূর্ণিস্রোতের ঝুঁকি শতবর্ষী আটঘরের নৌকার হাটে বেচাকেনার ধুম, উন্নয়নের দাবি ব্যবসায়ীদের ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা প্রসঙ্গে ঢাকার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় যা বলল নয়াদিল্লি সৌদি আরবের অনুরোধেও হুথিদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাবে না ইসরায়েল নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্য ৯ শতাংশ বাড়ল বিদেশি ফল চাষে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন লোহাগড়ার কৃষকরা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকের নিচে মোটরসাইকেল, কনস্টেবল নিহত

১০১ চুক্তি পর্যালোচনা প্রসঙ্গে ঢাকার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় যা বলল নয়াদিল্লি

Reporter Name

সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত মোট ১০১টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কর্তৃক পুনর্মূল্যায়ন বা পর্যালোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। ঢাকার এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নয়াদিল্লির কূটনৈতিক মহলের নজর এড়ায়নি এবং বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় নীতিনির্ধারকরাও অবগত রয়েছেন। গত কয়েক দিন ধরে গণমাধ্যমে আসা এসব প্রতিবেদনের পর দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের বর্তমান গতিপ্রকৃতি নিয়ে নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এই চুক্তিসমূহ পর্যালোচনা প্রসঙ্গে সম্প্রতি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে স্বাক্ষরিত যেকোনো চুক্তির বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন সেই সংশ্লিষ্ট দেশের নিজস্ব অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই দেখা হয়ে থাকে। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে আরও স্পষ্ট করা হয়েছে যে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সামগ্রিক মঙ্গলের স্বার্থে বাংলাদেশের যেকোনো বৈধ পর্যালোচনার বিষয়টিকে তারা স্বাভাবিক দৃষ্টিকোণ থেকেই পর্যবেক্ষণ করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, পূর্ববর্তী প্রশাসনের আমলের বিভিন্ন চুক্তি নিয়ে নতুন প্রশাসনের এই ধরনের পদক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্কে একধরনের নতুন বাস্তবতার জন্ম দিয়েছে। তবে নয়াদিল্লির এই সংযত প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে এটি স্পষ্ট যে, ভারতের পক্ষ থেকে এই পরিস্থিতিকে অতিরিক্ত জটিল না করে বরং পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো অক্ষুণ্ণ রাখার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। উভয় দেশের কূটনৈতিক সূত্রগুলো মনে করছে, বন্ধুপ্রতিম এই দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের পারস্পরিক স্বার্থ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় আলোচনার মাধ্যমেই যেকোনো অমীমাংসিত বিষয় সমাধান করা সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, বিগত দেড় দশকে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের নিরাপত্তা, বাণিজ্য, ট্রানজিট, জ্বালানি ও কানেক্টিভিটিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে শতাধিক চুক্তি ও সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়েছিল। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে প্রাধান্য দিয়ে এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে এসব চুক্তি যাচাই-বাছাই করার ঘোষণা দেয়। আগামী দিনগুলোতে এই পর্যালোচনার ফলাফল উভয় দেশের পারস্পরিক সম্পর্কে কী ধরনের প্রভাব ফেলে, সেদিকেই এখন নজর রাখছেন দেশি-বিদেশি কূটনীতিবিদরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page