বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
উত্তর প্রদেশে মসজিদ ভাঙা নিয়ে বিতর্ক, যা দেখল বিবিসি বুটেক্সে বাঁধনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষুসেবা ক্যাম্প মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি কেবল মুসলিম দেশগুলোর জন্য নয়: পাকিস্তান কানাডাকে ইইউ-এর সহযোগী সদস্য করার প্রস্তাব জাবিতে র‍্যাগিং: ২০ শিক্ষার্থীকে ৬ লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা হেবা-সংক্রান্ত বিধান নিয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে ওলামা মাশায়েখদের সাক্ষাৎ ৪১৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান একাদশে ভর্তির জন্য একজন শিক্ষার্থীও পায়নি জাকসুর উদ্যোগে জাবির ২১ হলে কম্পিউটার বিতরণ ভাতার অর্ধেক টাকা দেওয়ার প্রতিবাদে প্রশিক্ষণার্থীদের বিক্ষোভ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগে মৌখিক পরীক্ষা ১ অক্টোবর

হেবা-সংক্রান্ত বিধান নিয়ে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে ওলামা মাশায়েখদের সাক্ষাৎ

Reporter Name

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন এবং হেবা দলিলের বিধান নিয়ে আইনমন্ত্রী মুহাম্মাদ আসাদুজ্জামানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের শীর্ষস্থানীয় নেতারা। সম্প্রতি রাজধানীর আইন মন্ত্রণালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দেশের বর্তমান আইনি প্রেক্ষাপট নিয়ে আলেম সমাজের উদ্বেগের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে এই বৈঠকের বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে। মূলত মুসলিম পারিবারিক আইনের বিভিন্ন ধারা ও শরিয়াহ বিধানের সামঞ্জস্য রক্ষা করাই ছিল এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য।

জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুফতী রেজাউল করীম আবরার এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুফতী শামসুদ্দোহা আশরাফীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল এই বৈঠকে অংশ নেয়। বৈঠক চলাকালে তারা সম্পত্তি হস্তান্তর-সংক্রান্ত প্রস্তাবিত বা সংশোধিত আইনের বিভিন্ন দিক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করেন। এ সময় হেবা বা দানপত্র বিশুদ্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে ইসলামী শরিয়াহ নির্ধারিত শর্তাবলি তুলে ধরা হয় এবং প্রচলিত আইনের সঙ্গে এর সম্ভাব্য সাংঘর্ষিক দিকগুলো মন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করা হয়।

আলেমরা বৈঠকে জোরালোভাবে বলেন যে, মুসলিম নাগরিকদের পারিবারিক সম্পত্তি হস্তান্তর ও হেবা সংক্রান্ত যেকোনো আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে শরিয়াহর সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা এবং ফিকহি মূলনীতিগুলোকে সর্বাগ্রে বিবেচনায় নেওয়া উচিত। কোনো নতুন বিধান যদি ধর্মের মৌলিক নীতির পরিপন্থী হয়, তবে তা সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে তারা শঙ্কা প্রকাশ করেন। তাই এ ধরনের স্পর্শকাতর বিষয়গুলোতে আইন প্রণয়নের আগে দেশের শীর্ষস্থানীয় ওলামা মাশায়েখ ও ইসলামি আইন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করে তা সংশোধন করা অপরিহার্য বলে তারা মত দেন।

প্রতিনিধিদলের সদস্যদের এই বক্তব্য ও শঙ্কার কথা অত্যন্ত ধৈর্যসহকারে শ্রবণ করেন আইনমন্ত্রী মুহাম্মাদ আসাদুজ্জামান এবং তাদের উত্থাপিত যুক্তিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে নোট করেন। ওলামা মাশায়েখ নেতারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, সরকার তাদের এই যৌক্তিক দাবিগুলো গভীরভাবে বিবেচনা করবে এবং বিশেষজ্ঞ আলেমদের মতামত পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। তাদের প্রত্যাশা, মুসলিম জনসাধারণের ধর্মীয় বিশ্বাস ও শরিয়াহর বিধানের সঙ্গে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্য রেখেই সরকার ভবিষ্যতে যেকোনো আইনি সংস্কার সম্পন্ন করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page