সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
‘পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু’ বলতে কী বোঝায়, কী ঘটছে এখন রূপপুরের চুল্লিতে দেশের বৈদেশিক ঋণ ১১৫ বিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তন ২৬ জানুয়ারি, আবেদন নভেম্বর মাসজুড়ে ত্রিশালে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করার পরিকল্পনা হচ্ছে: বিমানমন্ত্রী ইতালির সেস্ত্রি লেভান্তেতে ফাহামিদুল অপতথ্য রোধে পেশাদার সাংবাদিকদের সক্রিয় ভূমিকার প্রত্যাশা রাষ্ট্রপতির দিল্লিতে বিমসটেকের প্রথম বৈঠক, যাচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আড়াইহাজারে ৪ বছর ধরে অনুপস্থিত চিকিৎসক, অধিদপ্তরে চিঠি দিয়েও ফল মেলেনি ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পর্যালোচনায় কমিটি হবে: শিক্ষামন্ত্রী চেনা ৭টি পাখির অন্য রকম ছবি দেখুন

আড়াইহাজারে ৪ বছর ধরে অনুপস্থিত চিকিৎসক, অধিদপ্তরে চিঠি দিয়েও ফল মেলেনি

Reporter Name

স্বাস্থ্য ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার সাতগ্রাম ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। কেন্দ্রটির মেডিকেল অফিসার ডা. রাইয়ানা আক্তার শিয়ন কোনো ধরনের অনুমোদন ছাড়াই কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসক না থাকায় উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ রোগীরা। অথচ চার বছর ধরে এই অচলাবস্থা চললেও সেখানে কোনো বিকল্প চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ফলে এলাকার মানুষ কাঙ্ক্ষিত সরকারি স্বাস্থ্যসেবা থেকে পুরোপুরি বঞ্চিত হচ্ছেন।

স্থানীয় লোকজনের দাবি, একজন মাত্র চিকিৎসকের এমন দীর্ঘ অনুপস্থিতির কারণে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ভুক্তভোগী এলাকাবাসী দ্রুত এই সমস্যার সমাধান চেয়েছেন। তাদের দাবি, অবিলম্বে কেন্দ্রটিতে একজন নতুন বিকল্প চিকিৎসক নিয়োগ দিতে হবে, যেন সাধারণ মানুষ বিনামূল্যে বা কম খরচে চিকিৎসাসেবা পেতে পারেন। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন না করে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি যথাযথ তদন্ত করে ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আরিফ ভূঁইয়া জানিয়েছেন, অভিযুক্ত চিকিৎসক রাইয়ানা আক্তার শিয়নের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য বিভিন্ন চেষ্টা চালানো হয়েছে। তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের পাশাপাশি লিখিত চিঠিও পাঠানো হয়েছিল। তবে তিনি কোনো চিঠিরই জবাব দেননি এবং তাঁর সঙ্গে কোনোভাবেই যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। তবে ওই কর্মকর্তা আরও জানান, কর্মস্থলে না থাকায় বর্তমানে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক সরকারি কোনো বেতন-ভাতা তুলছেন না।

এদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্ত ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অধিদপ্তর থেকে এখনো কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ বা নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত এই বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় এলাকাবাসী ও স্বাস্থ্য বিভাগের স্থানীয় কর্মকর্তাদের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page