শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৭ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
মালয়েশিয়া কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন হাফেজ ইহতেশামুল হক রমজানের বাকি ১২০ দিন: প্রস্তুতি শুরু করুন এখনই ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার ঘোষণা, আজীবন সম্মাননা পেলেন দুই বরেণ্য লেখক ‘আদালতে পা দিলেই মনে হয় এ বুঝি ভবন ধসে পড়বে’ কাঁচি থেকে ওয়াশিং পাউডারের বোতল, এই জাদুঘরের প্রতিটি স্মারকের সঙ্গে জড়িয়ে আছে নোবেলজয়ীদের গল্প চ্যাটজিপিটির গণিত গবেষণা নিয়ে বিতর্ক, ওপেনএআই বয়কটের ডাক গণভোটকে অস্বীকার করে জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বিএনপি: মামুনুল হক আগামী মাসেই শুরু হবে বাংলা কিউআরে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি লেনদেন: গভর্নর বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মতো সরকারি মেডিকেল কলেজের যন্ত্রপাতির রক্ষণাবেক্ষণের তাগিদ মন্ত্রীর ১৮৩৭ টাকার এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ২৫০০ টাকায়

চ্যাটজিপিটির গণিত গবেষণা নিয়ে বিতর্ক, ওপেনএআই বয়কটের ডাক

Reporter Name

প্রযুক্তি ডেস্ক: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই গণিতের বহুদিনের অমীমাংসিত শত শত সমস্যার সমাধান প্রকাশ্যে এনে সম্প্রতি তীব্র বিতর্কের মুখে পড়েছে। তাদের তৈরি আধুনিক এআই মডেলগুলো কীভাবে জটিল গাণিতিক সমস্যার সমাধান করছে, তা নিয়ে বৈজ্ঞানিক মহলে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির এমন পদক্ষেপে বিশ্বজুড়ে গবেষক ও প্রযুক্তিবিদদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

প্রযুক্তির এই অভূতপূর্ব অগ্রগতির ফলে গবেষকদের একাংশ যেমন একে বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন, তেমনই অন্য একটি পক্ষ এর নৈতিকতা ও কার্যকারিতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছেন। তাদের মতে, পর্যাপ্ত যাচাই-বাছাই ছাড়াই এ ধরনের জটিল গাণিতিক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করাটা বৈজ্ঞানিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী হতে পারে। এই ঘটনার জেরে সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞরা ওপেনএআইয়ের কার্যক্রমের ওপর কঠোর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন।

বিতর্কের মাত্রা এতটাই তীব্র রূপ নিয়েছে যে, অনলাইনে এই প্রতিষ্ঠানটিকে বয়কট করার জোরালো দাবি উঠেছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের গবেষক ও শিক্ষাবিদরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এমন অবাধ ব্যবহারের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সোচ্চার হয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এভাবে গবেষণা ক্ষেত্রে একাধারে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করলে ঐতিহ্যগত গবেষণার মান মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হতে পারে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে ওপেনএআইয়ের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক বা বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তবে প্রযুক্তি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণার ক্ষেত্রে এই ঘটনা ভবিষ্যতে বড় ধরনের নীতিমালার রূপরেখা তৈরিতে বাধ্য করবে। সামনের দিনগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং মানবচালিত গবেষণার দ্বন্দ্ব কীভাবে সমাধান হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page