শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
কাজী ফার্মস গ্রুপে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, রয়েছে বিবাহ ভাতাসহ নানা সুবিধা আলেমদের নিজস্ব রাজনীতি করতে হবে, অন্যের গেমের গুটি হওয়া যাবে না মা হওয়ার পর লন্ডনের রাস্তায় ক্যাটরিনার নজরকাড়া স্টাইল ক্ষমতার জন্য নয়, রাজনীতি হতে হবে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য: মঈন খান জামায়াত আমিরের মানবতাবিরোধী অপরাধেও এনসিপি নীরব কেন, প্রশ্ন রাশেদ খাঁনের বিমানবন্দরে ‘ডিআইজি’ পরিচয় দিয়ে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার, অতিরিক্ত ডিআইজি বরখাস্ত যে কারণে ডা. জুবাইদা রহমানকে ধন্যবাদ জানালেন চিফ হুইপ একটি বড় দলের সাধারণ সম্পাদকের ৭০০ অটোরিকশা রয়েছে: ডিএনসিসি প্রশাসক সাত দফা দাবিতে ৩১ অক্টোবর ঢাকা-খুলনা-যশোর-কুষ্টিয়া মহাসড়কে লংমার্চ মাদ্রাসাসহ পুরো শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণের দাবি বিএমজিটিএর

বিমানবন্দরে ‘ডিআইজি’ পরিচয় দিয়ে ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার, অতিরিক্ত ডিআইজি বরখাস্ত

Reporter Name

অপরাধ ডেস্ক: পদমর্যাদা অপব্যবহার করে বিমানবন্দরে ভিআইপি সুবিধা নেওয়ার গুরুতর অভিযোগে পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার কথা জানানো হয়। অভিযুক্ত ওই পুলিশ কর্মকর্তা এর আগে সাময়িক বরখাস্ত অবস্থায় রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শকের কার্যালয়ে সংযুক্ত ছিলেন। মূলত শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড ও অসদাচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর তাঁর বিরুদ্ধে এই গুরুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসে যে, অভিযুক্ত কর্মকর্তা কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত প্রক্রিয়া উপেক্ষা করে এবং ছুটি শুরুর আগেই কর্মস্থল ত্যাগ করেছিলেন। ওই সময় তিনি নিজের প্রকৃত পরিচয় গোপন করে নিজেকে ডিআইজি হিসেবে জাহির করেন। এই ভুয়া পরিচয়ের বলে তিনি রাজশাহী বিমানবন্দর থেকে বিশেষ ভিআইপি লাউঞ্জ ব্যবহার করে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন। শুধু তাই নয়, এর আগেও তিনি একাধিকবার একই কায়দায় নিজের পদমর্যাদা অপব্যবহার করে বিমানবন্দরগুলোতে ভিআইপি সুবিধা ভোগ করেছিলেন বলে গোয়েন্দা তথ্যে নিশ্চিত হওয়া যায়।

পুলিশের মতো একটি শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য হয়ে এ ধরনের আচরণে জনসমক্ষে বাহিনীর ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারের তরফ থেকে জানানো হয় যে, তাঁর এই কর্মকাণ্ড সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলা এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলার চরম লঙ্ঘন। সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা বিধিমালা অনুযায়ী এই ধরনের অপকর্ম অসদাচরণের শামিল এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছিল এবং তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়।

অভিযোগের বিষয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়ে ওই কর্মকর্তাকে একাধিকবার কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি। এমনকি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল কিংবা সময় বৃদ্ধির কোনো আবেদনও করেননি তিনি। পরবর্তীতে তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হলে বিস্তারিত তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়। সবশেষে সরকারি কর্ম কমিশনের ইতিবাচক মতামত এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে তাঁকে চাকরি থেকে স্থায়ীভাবে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page