মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
নাটোর, পিরোজপুর, বাগেরহাট জেলায় কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা পঞ্চগড়ে স্কুল ফিডিংয়ের দুধ খেয়ে অসুস্থ ৩৬ শিক্ষার্থী আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষ খাওয়ার জন্যই: এএসআই ইলিয়াস আজকের নামাজের সময়সূচি: ০৬ অক্টোবর ২০২৬ সাংবাদিকদের দাবির মুখে রাবির জিয়া হলের প্রভোস্টকে অব্যাহতি প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরের পরিকল্পনায় প্রধান চ্যালেঞ্জ ভারতে শেখ হাসিনার কর্মকাণ্ড গ্রাম সরকার পুনর্বহালের আলোচনা, ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটির সিদ্ধান্ত বিয়ের ১৪ দিন আগে ডেঙ্গুতে মৃত্যু, নিথর কপালে সিঁদুর পরালেন হবু বর ১৪ মিনিটে ৪ গোল, বেলজিয়ামের বিপক্ষে নাটকীয় জয় ফ্রান্সের কূটনীতিকদের সম্মানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নৈশভোজ

সাংবাদিকদের দাবির মুখে রাবির জিয়া হলের প্রভোস্টকে অব্যাহতি

Reporter Name

সাংবাদিকদের তীব্র আন্দোলন ও দাবির মুখে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলের প্রভোস্টকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কনফারেন্স কক্ষে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও সংবাদকর্মীদের সঙ্গে এক দীর্ঘ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। গভীর রাতে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদুল ইসলাম নিজেই এই সিদ্ধান্ত সাংবাদিকদের জানিয়ে বলেন যে, সংবাদকর্মীদের অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েই হলের প্রভোস্টকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আগামী তিন দিনের মধ্যে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কঠোর আশ্বাস দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এর আগে ক্যাম্পাসে সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। তবে এই গুরুতর ঘটনার পর শহীদ জিয়াউর রহমান হলের প্রভোস্ট কোনো ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি বলে অভিযোগ ওঠে। এমনকি হামলার ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ চাওয়া হলে তিনি তা প্রদানে অস্বীকৃতি জানান এবং পরবর্তীতে ওই গুরুত্বপূর্ণ ফুটেজগুলো মুছে ফেলা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন সাংবাদিকরা। তাদের দাবি, পুরো ঘটনার সময় এবং পরবর্তী পরিস্থিতিতে হল প্রভোস্টের সরাসরি উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও তিনি হামলাকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি, যা দায়িত্বের প্রতি চরম অবহেলার শামিল।

অন্যদিকে, সিসিটিভি ফুটেজ মুছে ফেলার সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অব্যাহতিপ্রাপ্ত ওই হল প্রভোস্ট। তার দাবি, সে সময় ভবনে সংস্কার কাজ চলমান থাকার কারণে সিসিটিভি ক্যামেরার সংযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ছিল এবং সেখানে কোনো ধরনের ফুটেজ সংরক্ষিত ছিল না। তবে তার এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট না হয়ে আন্দোলন চালিয়ে যান সংবাদকর্মীরা। তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট মোট ছয়টি সুনির্দিষ্ট দাবি পেশ করেছিলেন, যার মধ্যে প্রভোস্টের অপসারণ ছিল অন্যতম একটি প্রধান দাবি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রথম দাবিটি মেনে নেওয়ার পর বাকি পাঁচটি দাবি বাস্তবায়নের জন্য তিন দিন সময় চাওয়া হয়েছে।

আন্দোলনরত সাংবাদিকরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, প্রশাসন যে তিন দিনের সময়সীমা নির্ধারণ করেছে, সেই সময়ের মধ্যে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে হামলায় সরাসরি জড়িতদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী শাস্তির আওতায় আনতে হবে। প্রশাসন যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থ হয়, তবে তারা আবারও কঠোর কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছে এবং তদন্ত সাপেক্ষে বাকি অপরাধীদের বিরুদ্ধেও দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page