মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৭ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
বসতঘরে একযোগে ৩০টি ককটেল বিস্ফোরণ, পরিবারের সদস্যরা পলাতক দুস্থদের অনুদানের তালিকায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীসহ বিত্তবান নেতাদের নাম, এমপি বলছেন তাঁরা পাওয়ার যোগ্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে অফিসার পদে চাকরি নিখোঁজ শিশুকে খুঁজছিল সবাই, ফুফুর কক্ষের বাক্সে পাওয়া গেল মরদেহ ৬ দিনে ২০০ কিলোমিটার সাঁতরে নিজের চেনা ঠিকানায় ‘নানা’ বাংলাদেশসহ ২০ দেশ–অঞ্চলের বিশেষায়িত ওষুধ শুল্কমুক্ত করল যুক্তরাষ্ট্র ‘সে জেলেই মরবে’, ধর্ষণের শিকার ১০ বছরের শিশুকে বিচারকের চিঠি আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টে ৯ থেকে ২০ গ্রেডে চাকরি, পদ ২২ রাশিয়ায় আতশবাজি কারখানায় আগুনে মৃত্যু ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত কাতার এনার্জির এলএনজি পাচ্ছে না বাংলাদেশ

৬ দিনে ২০০ কিলোমিটার সাঁতরে নিজের চেনা ঠিকানায় ‘নানা’

Reporter Name

চীনে উদ্ধার এবং দীর্ঘ পুনর্বাসন প্রক্রিয়া শেষে সমুদ্রে অবমুক্ত করা হয়েছিল ‘নানা’ নামের একটি সিলকে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণকর্মীরা আশা করেছিলেন, সমুদ্রের স্বাধীন পরিবেশে প্রাণীটি স্বাভাবিকভাবেই মানিয়ে নেবে এবং নতুন ঠিকানায় জীবন শুরু করবে। কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে মুক্তির মাত্র ছয় দিনের মাথায় নিজের চেনা সেই দাচাংশান দ্বীপে ফিরে আসে সে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, সামুদ্রিক এই প্রাণীটির পক্ষে মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রায় ২০০ কিলোমিটার পথ সাঁতরে আগের ঠিকানায় ফিরে আসা এক অবিশ্বাস্য ঘটনা। দীর্ঘ পুনর্বাসনের পর প্রাণীটি তার পুরোনো বাসস্থানের প্রতি গভীর আকর্ষণ অনুভব করেছিল বলেই ধারণা করছেন গবেষকরা। সিলটির এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার বিষয়টি স্থানীয় প্রাণীপ্রেমী ও গবেষকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করেছে।

সাধারণত পুনর্বাসিত বন্যপ্রাণীদের নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে ছেড়ে দিলে তারা নতুন পরিবেশেই থেকে যায়, কিন্তু ‘নানা’র ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ব্যতিক্রমী আচরণ দেখা গেল। নিজের চেনা জায়গার প্রতি টান এবং বেঁচে থাকার সহজাত প্রবৃত্তি তাকে এত দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে বাধ্য করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এই ঘটনা সামুদ্রিক প্রাণীর আচরণ এবং তাদের স্মৃতিশক্তি নিয়ে নতুন ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে।

এদিকে নানার এমন কাণ্ডের পর বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা তার পরবর্তী গতিবিধি নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। তাকে পুনরায় অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হবে নাকি এই দ্বীপে থাকার সুযোগ দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি কর্তৃপক্ষ। তবে বন্যপ্রাণী পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে এ ধরনের আচরণ গবেষকদের জন্য নতুন এক গবেষণার ক্ষেত্র তৈরি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page