সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
মার্কেন্টাইল ইসলামী লাইফ ইনস্যুরেন্সে চাকরির সুযোগ দুই দিনে সাতজনকে হত্যা, মণিপুরে কুকি ও নাগা গোষ্ঠীর মধ্যে সহিংসতা বাড়ছে কেন? অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে দোকানে ঢুকে পড়ল ট্রাক, নিহত ৪ খুঁটিতে বাঁধা বাবাকে চা-রুটি খাওয়ানো সেই শিশুর পড়াশোনার দায়িত্ব নিল প্রশাসন সর্বকালের সর্বনিম্নে ইরানি মুদ্রার মান, ১ ডলারে ২৪ লাখ রিয়াল হাসিনাকে ‘শুভ জন্মদিন আপা’ লিখে বহিষ্কার, ছাত্রশক্তি নেতাকে পুলিশে সোপর্দ এবার ছাত্র আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করলেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রবাসী প্রতিবেশীর সঙ্গে স্ত্রীর বিয়ে দিলেন নিজেই, পরে মিলল ঝুলন্ত মরদেহ মেঘনায় ট্রলারডুবিতে নিহত ৫, তিন ভাইবোনের পর বাবার লাশ উদ্ধার একদিনে হাম উপসর্গে আরো ৩ জনের মৃত্যু; আক্রান্ত ১৩১০

দুই দিনে সাতজনকে হত্যা, মণিপুরে কুকি ও নাগা গোষ্ঠীর মধ্যে সহিংসতা বাড়ছে কেন?

Reporter Name

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে নতুন করে জাতিগত সহিংসতা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। সম্প্রতি রাজ্যটির বেশ কিছু এলাকায় নাগা এবং কুকি-জো সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতে গত দুই দিনের ব্যবধানে কমপক্ষে সাতজন প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

মণিপুরের পাহাড়ি ও উপত্যকা অঞ্চলের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই নানা বিষয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক টানাপোড়েন চলে আসছে। সাম্প্রতিক এই সংঘাত সেই পুরনো বিভাজনকে আরও গভীর করে তুলেছে। বিশেষ করে দুই সম্প্রদায়ের সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক হামলা ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বহু মানুষ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি রোধে রাজ্য প্রশাসন ও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীগুলো যৌথভাবে টহল দিচ্ছে। তবে পাহাড়ি বনাঞ্চল ও দুর্গম ভূপ্রকৃতির কারণে সংঘাতের মূল কারণগুলো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা প্রশাসনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাছাড়া, সাধারণ মানুষের মধ্যে বিরাজমান পারস্পরিক অনাস্থা ও ভীতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং দীর্ঘমেয়াদী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিভিন্ন নাগরিক সমাজ ও রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে আলোচনার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, রাজ্য সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের পাশাপাশি সব পক্ষের মধ্যে আস্থার সংকট দূর করা না গেলে এই সংঘাত থামানো কঠিন হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পুনর্বাসন এবং সহিংসতার শিকারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবিও জোরালো হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page