রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৪ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
দক্ষিণ আফ্রিকায় পৃথক বন্দুক হামলায় নিহত ২৭, আহত ২৬ ঢাকা কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ শিক্ষার্থীদের মধ্য সংঘর্ষ মাত্র ৩০ সেকেন্ডের যে অভ্যাস আপনার মুড ভালো করে দিতে পারে রাজশাহীতে মুদি দোকান পোড়ানোর পর দোকানিকে কুপিয়ে হত্যা সরকারি চাকরিতে এখনো গোয়েন্দা দিয়ে যাচাই, প্রাথমিকে অনেকের নিয়োগ আটকে আইভরি ব্রাইড লুকে ভিকির সঙ্গে কেমিস্ট্রি ঝালিয়ে নিলেন আলিয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা ও ভাঙচুর দক্ষিণ আফ্রিকায় বন্দুক হামলায় নিহত ১৭ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে যা ঘটেছে, মেনে নেওয়ার মতো নয়: সাদিয়া আয়মান ‘পাশের জমির মালিকের জমি নিয়ে বিরোধের জেরে’ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলা, আটক ৩: পুলিশ

সরকারি চাকরিতে এখনো গোয়েন্দা দিয়ে যাচাই, প্রাথমিকে অনেকের নিয়োগ আটকে

Reporter Name

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরও অনেক প্রার্থীর চাকরি ঝুলে রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিয়মতান্ত্রিকভাবে বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে আসার পর গোয়েন্দা সংস্থার নেতিবাচক বা বিলম্বিত প্রতিবেদনের কারণে এসব প্রার্থীর নিয়োগ আটকে দেওয়া হচ্ছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে পরীক্ষা ও প্রক্রিয়া শেষ করার পরও চাকরিপ্রার্থীরা চরম অনিশ্চয়তা ও মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

সাধারণত সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে পুলিশি যাচাই বা ব্যাকগ্রাউন্ড চেক একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে প্রাথমিক শিক্ষার মতো একটি বৃহৎ ক্ষেত্রে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে গোয়েন্দা সংস্থার এই ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা অন্য কোনো অদৃশ্য কারণে অনেক যোগ্য প্রার্থীর নাম এই যাচাই প্রক্রিয়ায় আটকে দেওয়া হচ্ছে, যা নিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী প্রার্থীরা অভিযোগ করেছেন যে, মেধার ভিত্তিতে চূড়ান্ত তালিকায় নাম আসার পরও শুধুমাত্র গোয়েন্দা প্রতিবেদনের মারপ্যাচে তাদের নিয়োগপত্র প্রদান করা হচ্ছে না। অথচ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বা প্রাথমিক নিয়মে এই ধরনের জটিল ও দীর্ঘমেয়াদী যাচাই প্রক্রিয়ার বিষয়ে স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা থাকে না। এর ফলে হাজার হাজার সফল প্রার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে এবং অনেকেই এই বৈষম্যের প্রতিকার চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে যোগাযোগ করছেন।

সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারক ও বিশেষজ্ঞদের মতে, শিক্ষক নিয়োগের মতো একটি জনগুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা তৈরি হলে একদিকে যেমন বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকের ঘাটতি দেখা দেয়, অন্যদিকে মেধাবী তরুণদের প্রতি অবিচার করা হয়। তাই দ্রুত এই জট ছাড়িয়ে আটকে থাকা যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার দাবি জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত প্রার্থীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page