শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৬ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :

রাজধানীর সূত্রাপুরে ঘরে পেট্রল ঢেলে আগুন, ছেলের পর বাবারও মৃত্যু

Reporter Name

রাজধানীর সূত্রাপুর এলাকায় পারিবারিক কলহের জের ধরে ঘরে পেট্রল ঢেলে আগুন দেওয়ার মর্মান্তিক ঘটনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিদ্দিক ব্যাপারী নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এর আগে এই একই ঘটনায় দগ্ধ হয়ে তার ছেলে ইমনও প্রাণ হারিয়েছিলেন। গত ১৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে শ্যামবাজারের চামারতলী এলাকায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছিল, যা পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এনেছে। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সম্প্রতি ষাটোর্ধ্ব সিদ্দিক ব্যাপারীর মৃত্যু হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আগুনে সিদ্দিক ব্যাপারীর শরীরের প্রায় ৩৫ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল এবং দীর্ঘদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত বাবা ও ছেলে দুজনেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকেই অগ্নিদগ্ধ অন্যান্য রোগীরাও অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং তাদের চিকিৎসায় সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন চিকিৎসকরা।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্যামবাজারের ওই বাসাটিতে তুচ্ছ একটি বিষয় নিয়ে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়েছিল। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ইমন নিজের ঘরে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিলে মুহূর্তের মধ্যে সেই আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। ওই সময় কক্ষে উপস্থিত থাকা সিদ্দিক ব্যাপারীসহ পরিবারের পাঁচজন সদস্য গুরুতরভাবে দগ্ধ হন। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় স্বজনরা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ঘটনার দিন বিকেলে বাসার সামনে ময়লা পানি জমানোকে কেন্দ্র করে ইমনের বোন সুলতানা এবং তানিয়া আক্তারের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। সেই ক্ষোভ থেকে সৌদি আরব প্রবাসী ইমন সম্প্রতি দেশে ফিরে আসেন এবং পারিবারিক বিরোধের জেরে এই নাশকতামূলক কাণ্ড ঘটান। অগ্নিদগ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন থাকা অন্যরা হলেন রাজীব, আরিফুর রহমান ধলু এবং কলেজছাত্রী তানিয়া আক্তার। পারিবারিক সামান্য একটি দ্বন্দ্ব কীভাবে এমন ভয়াবহ প্রাণহানির কারণ হতে পারে, তা নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page