বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫০ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
আজ টিভিতে যা দেখবেন (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সুবিধা নেওয়া নিয়ে সমালোচনার মুখে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ইউনূস ককটেল-বাসে আগুনে জড়িত আ.লীগের নেতা-কর্মীরা: পুলিশের দাবি একই মঞ্চে একদিনের ব্যবধানে দুই নেতার ভাষণ, ইরান যুদ্ধের শেষ অনিশ্চিত শুধু ডিগ্রি নয়, শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত করতে হবে: ববি নিজস্ব মোবাইল ফোন আছে ৬৬ শতাংশ মানুষের রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে পাঁচ প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়: এক আম্মার, একের পর এক বিতর্ক দিল্লিতে গভীর রাতে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো বাড়ি-মসজিদ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত থামাতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ পাকিস্তান: শাহবাজ

শাহজালাল মাজারের দানের ৩৫ শতাংশ উন্নয়নে, দৈনন্দিন খরচে ৬৫ শতাংশ

Reporter Name

সিলেটের আধ্যাত্মিক সাধক হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা আনতে নতুন এবং যুগান্তকারী কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এখন থেকে এই পবিত্র মাজারের দানবাক্সগুলো থেকে প্রাপ্ত অর্থ কোনো দীর্ঘসূত্রিতা ছাড়াই প্রতিদিন নিয়মিতভাবে গণনা করা হবে। মাজার পরিচালনা পর্ষদ ও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের যৌথ আলোচনার ভিত্তিতে এই কঠোর নীতিমালা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

নতুন এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতিদিন গণনা করা মোট দানের একটি নির্দিষ্ট অংশ ব্যাংকে জমা রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সংগৃহীত অর্থের ঠিক ৩৫ শতাংশ মাজারের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সৌন্দর্যবর্ধন এবং দীর্ঘমেয়াদী বিভিন্ন প্রকল্পের কাজে ব্যয় করা হবে। এই উদ্দেশ্যে দেশের স্বনামধন্য রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী ব্যাংকে একটি নির্দিষ্ট হিসাব খোলা হয়েছে, যেখানে উন্নয়ন তহবিলের এই অর্থ নিয়মিতভাবে জমা হবে।

উন্নয়নকাজের পাশাপাশি মাজারের দৈনন্দিন পরিচালনা ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য ব্যয়ের বিষয়টিও এই নীতিমালায় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়েছে। সংগৃহীত অর্থের বাকি ৬৫ শতাংশ মাজারের প্রতিদিনের নানাবিধ খরচ মেটানোর কাজে ব্যবহার করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে মাজারের খাদেম ও কর্মীদের বেতন-ভাতা, পরিচ্ছন্নতা রক্ষা, আগত زائرین (পুণ্যার্থী) ও অতিথিদের সেবা প্রদান এবং অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক কার্যাবলি।

সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, নিয়মিত দানবাক্স গণনা এবং সুনির্দিষ্ট অনুপატহারে অর্থ বিভাজনের এই পদক্ষেপের ফলে মাজারের সার্বিক আর্থিক কার্যক্রমে আরও বেশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। এর মাধ্যমে ভক্ত ও সাধারণ মানুষের দাতার দেওয়া অর্থের সঠিক ও সদ্ব্যবহার দীর্ঘমেয়াদে মাজারের ঐতিহ্য রক্ষা এবং সেবার মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page