
নীলফামারী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে সম্প্রতি রোগীর অস্বাভাবিক চাপ লক্ষ্য করা গেছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এই ওয়ার্ডটির নির্দিষ্ট ধারণক্ষমতা মাত্র ২০ শয্যা হলেও বর্তমানে সেখানে চার গুণেরও বেশি রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তীব্র গরমে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা হঠাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় চিকিৎসা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।
রোগীর প্রচণ্ড ভিড় থাকায় ওয়ার্ডের নির্ধারিত শয্যা খালি না পেয়ে বাধ্য হয়ে অনেককে ফ্লোরে এবং বারান্দার পচা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যাই এই ওয়ার্ডে সবচেয়ে বেশি বলে জানা গেছে। প্রয়োজনীয় বেডের অভাবে রোগীদের সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে নার্স ও চিকিৎসকদেরও অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হচ্ছে।
হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হঠাৎ করেই ডায়রিয়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় জনবল ও ওষুধের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে। তবে রোগীর সংখ্যা ধারণক্ষমতার বহুগুণ বেশি হওয়া সত্ত্বেও হাসপাতাল থেকে সাধ্যমতো সর্বাত্মক সেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। জরুরি ভিত্তিতে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টরা কাজ করে যাচ্ছেন।
এদিকে রোগীর এমন গাদাগাদি পরিস্থিতিতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ভর্তি হওয়া রোগী ও তাদের স্বজনদের। দ্রুত এই জনদুর্ভোগ লাঘব করতে শয্যা সংখ্যা বৃদ্ধি অথবা বিকল্প ওয়ার্ড চালুর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। অন্যথায় স্বাস্থ্যঝুঁকি আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।