
দেশের বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপিজির দাম আবারও বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে সাধারণ ভোক্তাদের পকেট থেকে সিলিন্ডারপ্রতি বাড়তি অর্থ খরচ করতে হবে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি সম্প্রতি এই নতুন মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা দেয়। বিশ্ববাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই মূলত এই মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, সাধারণ গৃহস্থালিতে বহুল ব্যবহৃত ১২ কেজি ওজনের একটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে ২৫২ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ভোক্তাদের এখন থেকে আগের তুলনায় অনেক বেশি দামে এই রান্নার জ্বালানি কিনতে হবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে এমনিতেই মূল্যস্ফীতির চাপ রয়েছে, তার ওপর রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোর ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ তৈরি হবে।
নজরদারি সংস্থাটির ঘোষণা অনুযায়ী, নতুন এই বর্ধিত মূল্য তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট নির্দেশিকা জারির পর নির্দিষ্ট সময় থেকেই পুরো দেশজুড়ে এই নতুন দাম কার্যকর বলে গণ্য হবে। খুচরা বিক্রেতা ও পরিবেশকদের নির্ধারিত মূল্যে সিলিন্ডার বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোথাও এর ব্যত্যয় ঘটছে কি না, তা তদারকি করার কথাও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক বাজারে গ্যাসের কাঁচামালের দাম বাড়ার কারণে দেশীয় বাজারেও এর প্রভাব পড়ে। প্রতি মাসেই বিইআরসি আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের ওপর ভিত্তি করে এলপিজির নতুন দাম সমন্বয় করে থাকে। তবে লাগাতার জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে এবং অনেকেই স্থায়ীভাবে দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখার জোরালো দাবি জানিয়ে আসছেন।