
দলে তারকা ফরোয়ার্ড ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে অনুপস্থিত রাখা নিয়ে নানা আলোচনা ও সমালোচনার মাঝেই দুর্দান্ত এক জয় তুলে নিয়েছে পর্তুগাল। নেশনস লিগের এই ম্যাচে কোপেনহেগেনের মাঠে স্বাগতিক ডেনমার্কের মুখোমুখি হয়েছিল জর্জ জেসুসের শিষ্যরা। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে দুই দলই মাঠে রোমাঞ্চকর পরিবেশ তৈরি করে। শেষ পর্যন্ত দারুণ আক্রমণভাগের নৈপুণ্যে ডেনমার্ককে ৪-২ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করে মাঠ ছাড়ে পর্তুগিজরা।
ম্যাচের প্রথমার্ধ থেকেই দুই দল একে অপরের রক্ষণভাগে হানা দিতে থাকে এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য লড়াই চালায়। খেলার শুরুর দিকে জোয়াও কানসেলোর নিখুঁত একটি টোকায় এগিয়ে যায় পর্তুগাল দল। তবে এই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি তারা, কারণ অল্প সময়ের মধ্যেই চমৎকার এক শটে বল জালে জড়িয়ে সমতা ফেরান ডেনমার্কের ফুটবলার মিকেল দামসগার্ড। অবশ্য সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি, কারণ ব্রুনো ফার্নান্দেজের সঙ্গে দুর্দান্ত বোঝাপড়ায় গোল করে দলকে আবারও এগিয়ে নেন রামোস।
বিরতির পর মাঠে ফিরে ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে স্বাগতিক ডেনমার্ক দল। দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় রসমুস হয়লুন্দ দারুণ এক চিপ শটে প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক দিয়েগো কোস্তার ওপর দিয়ে বল জালে জড়ালে স্কোরলাইন আবার সমতায় ফেরে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত পর্তুগিজদের আক্রমণ সামলাতে ব্যর্থ হয় স্বাগতিক রক্ষণভাগ। ব্রুনো ফার্নান্দেজের চমৎকার একটি ক্রসে দুর্দান্ত হেডে গোল করে পর্তুগালকে তৃতীয়বারের মতো এগিয়ে দেন ভিতিনিয়া।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে এসে জয়ের ব্যবধান আরও বাড়িয়ে নেয় সফরকারী পর্তুগাল। নির্ধারিত সময় শেষের দিকে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমে দারুণ এক কাউন্টার অ্যাটাকে গোল করেন ফরোয়ার্ড জোয়াও ফেলিক্স। এই গোলের মাধ্যমে ডেনমার্কের জালে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়া নিশ্চিত হয় পর্তুগালের বড় জয়। পুরো ম্যাচের এমন দাপুটে পারফরম্যান্স প্রমাণ করে যে দলের সেরা তারকাকে ছাড়াও বড় দলগুলোর বিপক্ষে জয় তুলে নেওয়ার সামর্থ্য রয়েছে পর্তুগিজ শিবিরের।