
দুবাই থেকে ইসরায়েলের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া একটি যাত্রীবাহী বিমান আকস্মিকভাবে সৌদি আরবে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়েছে। ফ্লাইট চলাকালীন সময়ে এক রোমহর্ষক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যার পেছনে পাইলটের নাশকতাত্মক মানসিকতা জড়িত ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। মূলত বিমানটির অভ্যন্তরে ঘটে যাওয়া একটি অতর্কিত হামলার ঘটনার জেরে এই জরুরি অবতরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই ঘটনার বিষয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছেন। তার দাবি অনুযায়ী, উড়োজাহাজটির মূল পাইলট আকস্মিকভাবে তার সহপাইলটের ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে চড়াও হন। পাইলটের মূল উদ্দেশ্য ছিল সহপাইলটকে মারাত্মকভাবে জখম করার মাধ্যমে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে নিয়ে সেটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিধ্বস্ত করা।
ঘটনার সময় উড়োজাহাজটিতে থাকা অন্য ক্রু ও সহকর্মীরা অত্যন্ত সাহসিকতার পরিচয় দেন এবং আক্রমণকারী পাইলটকে প্রতিহত করতে সক্ষম হন। তাদের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে বড় ধরনের একটি প্রাণঘাতী বিমান দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। অন্যথায় মাঝ আকাশে এক ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে যাওয়ার সমূহ আশঙ্কা ছিল।
পরবর্তীতে বিমানটির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের আয়ত্তে নিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৌদি আরবের নির্ধারিত বিমানবন্দরে সেটিকে জরুরি ভিত্তিতে অবতরণ করানো হয়। এ ঘটনার পর থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং পুরো বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক তদন্ত শুরু হয়েছে।