আসন্ন আসিয়ান কাপ ফুটবল প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখে চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। সম্প্রতি এক আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ২৩ সদস্যের এই চূড়ান্ত স্কোয়াড প্রকাশ করা হয়। দেশের ফুটবলপ্রেমীদের নজর ছিল এই দল ঘোষণার দিকে, কারণ দল গঠনে বেশ কিছু চমক ও পরিবর্তন আনা হয়েছে। কোচের পরিকল্পনা অনুযায়ী অভিজ্ঞ ও তরুণ খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে এই দল তৈরি করা হয়েছে।
ঘোষিত এই ২৩ সদস্যের দলে সবচেয়ে বড় আলোচনার বিষয় হলো অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তপু বর্মণের অনুপস্থিতি। বিভিন্ন কারণে রক্ষণভাগের এই গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে ছাড়াই এবার দল সাজাতে হয়েছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। তপুর মতো অভিজ্ঞ ফুটবলারের না থাকাটা দলের জন্য একটি বড় ধাক্কা হলেও, কোচিং স্টাফরা অন্য বিকল্পগুলো নিয়ে বেশ আশাবাদী। তার শূন্যতা পূরণে স্কোয়াডে থাকা বাকি ডিফেন্ডারদের ওপর বাড়তি দায়িত্ব বর্তাবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ঘোষিত দলটি এখন টুর্নামেন্টে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। ফুটবল ফেডারেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, টুর্নামেন্টে ভালো ফলাফল অর্জনের জন্যই এই খেলোয়াড়দের বেছে নেওয়া হয়েছে। কোচ এবং টিম ম্যানেজমেন্ট এখন ঘাম ঝরাচ্ছেন কৌশল নির্ধারণে, যেন মাঠের লড়াইয়ে কোনো ঘাটতি না থাকে। খেলোয়াড়দের মাঝেও টুর্নামেন্টকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, দক্ষিণ এশীয় ও আঞ্চলিক ফুটবলে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে এই আসিয়ান কাপ বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চূড়ান্ত দলটি এখন তাদের শেষ মুহূর্তের অনুশীলন শেষ করে টুর্নামেন্টের ভেন্যুর উদ্দেশে রওনা হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সমর্থকরাও অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন লাল-সবুজ জার্সিধারীদের মাঠের পারফরম্যান্স দেখার জন্য। আগামী দিনগুলোতে দলের ফিটনেস ও ট্যাকটিক্যাল প্রস্তুতি কেমন হয়, তার ওপরই নির্ভর করছে টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের সাফল্য।