
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের জার্সি গায়ে জড়ানোর অপেক্ষায় থাকা যুক্তরাজ্য প্রবাসী উদীয়মান ফুটবলার ফারহান আলি ওয়াহিদ সরাসরি ইন্দোনেশিয়ায় দলের সঙ্গে মিলিত হবেন। এর আগে হামজা চৌধুরী ও শামিত সোমের মতো প্রবাসীরা যেভাবে সরাসরি নির্দিষ্ট দেশে গিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন, ফারহানের ক্ষেত্রেও ঠিক একই কৌশল অনুসরণ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ দলের দলনেতা ইকবাল হোসেন গণমাধ্যমের কাছে এই তরুণ ফুটবলারের যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ফলে আসন্ন ফিফা আসিয়ান কাপের দলের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার জন্য তাকে আর ঢাকায় দলের সঙ্গে যোগ দিতে হচ্ছে না।
ইংলিশ ক্লাব ফুটবলের পরিচিত পরিবেশে বেড়ে ওঠা ফারহানকে ঘিরে দেশের ফুটবলপ্রেমী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্দীপনা কাজ করছে। এর আগে স্বনামধন্য ক্লাব ফুলহ্যামের যুব দলে নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রাখার পর বর্তমানে তিনি ধারে বোরহ্যাম উড ক্লাবে পেশাদার ফুটবল খেলছেন। জাতীয় দলের হয়ে এখনো অভিষেক না হলেও, ইন্দোনেশিয়া সফরটি তার ক্যারিয়ারের জন্য এক নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে। কোচ থমাস ডুলির অধীনে নিজের সেরাটা নিংড়ে দিয়ে লাল-সবুজের মূল দলে স্থায়ীভাবে জায়গা করে নেওয়াই এখন এই তরুণের প্রধান লক্ষ্য।
এদিকে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ইন্দোনেশিয়া সফরকে সামনে রেখে বর্তমানে রাজধানী ঢাকায় নিবিড় প্রস্তুতি ক্যাম্প চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে জায়ান আহমেদ ও ফাহামিদুল ইসলামের মতো প্রবাসী ফুটবলাররা ঢাকায় এসে জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন। ঢাকা থেকে কোচিং স্টাফ ও স্থানীয় খেলোয়াড়সহ প্রায় ২০ থেকে ২২ জন সদস্যের একটি বহর ইন্দোনেশিয়ার উদ্দেশে যাত্রা করার কথা রয়েছে। নির্দিষ্ট সূচি অনুযায়ী আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর দলটির দেশ ছাড়ার কথা রয়েছে এবং সেই অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ফ্লাইটের টিকিট বুকিংও সম্পন্ন করে রাখা হয়েছে।
তবে দলের সার্বিক প্রস্তুতির মাঝেও ভিসা সংক্রান্ত কিছু জটিলতা ও ব্যস্ততা এখনও পুরোপুরি কাটেনি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত ফ্লাইট সূচির কাছাকাছি সময় পর্যন্তও দলের ভিসা প্রক্রিয়াকরণের কাজ পুরোপুরি সম্পন্ন হয়নি। তবুও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সব দাপ্তরিক জটিলতা কাটিয়ে দল সফলভাবে ইন্দোনেশিয়া পৌঁছাতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা। ফারহান এবং শামিত সোম সরাসরি নিজ নিজ অবস্থান থেকে ইন্দোনেশিয়া পৌঁছালে সেখানে থমাস ডুলির পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড নিয়ে চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু হবে।